ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

এইচএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ ১৬ নভেম্বর!

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। ফল প্রকাশের পর যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাননি, তারা এখন পুনর্নিরীক্ষণের ফলের অপেক্ষায় আছেন। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ফল আগামী ১৬ নভেম্বর প্রকাশ করা হতে পারে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বোর্ডের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে এই সম্ভাব্য তারিখের কথা নিশ্চিত করেছেন।

বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করার কথা রয়েছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, আগামী ১৬ নভেম্বর ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ১৭ অক্টোবর থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা ২৩ অক্টোবর শেষ হয়। এ বছর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছিল আবেদন প্রক্রিয়ায়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয় গত ১৬ অক্টোবর। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পাসের হার ছিল মাত্র ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। এই ফলাফল গত বছরের তুলনায় বেশ হতাশাজনক। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

একইসঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উদ্বেগজনকভাবে কমেছে; গতবারের চেয়ে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন কম জিপিএ-৫ পেয়েছে এবার।চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২৬ জুন শুরু হয়ে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত চলে। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১ থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সর্বমোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। মূল ফলে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় এ বছর খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সংখ্যাও অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

এইচএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ ১৬ নভেম্বর!

আপডেট সময় ০৬:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। ফল প্রকাশের পর যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাননি, তারা এখন পুনর্নিরীক্ষণের ফলের অপেক্ষায় আছেন। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ফল আগামী ১৬ নভেম্বর প্রকাশ করা হতে পারে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বোর্ডের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে এই সম্ভাব্য তারিখের কথা নিশ্চিত করেছেন।

বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করার কথা রয়েছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, আগামী ১৬ নভেম্বর ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ১৭ অক্টোবর থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা ২৩ অক্টোবর শেষ হয়। এ বছর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছিল আবেদন প্রক্রিয়ায়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয় গত ১৬ অক্টোবর। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পাসের হার ছিল মাত্র ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। এই ফলাফল গত বছরের তুলনায় বেশ হতাশাজনক। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

একইসঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উদ্বেগজনকভাবে কমেছে; গতবারের চেয়ে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন কম জিপিএ-৫ পেয়েছে এবার।চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২৬ জুন শুরু হয়ে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত চলে। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১ থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সর্বমোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। মূল ফলে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় এ বছর খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সংখ্যাও অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।