ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যে গেলেই গ্রেপ্তার হবেন নেতানিয়াহু!

মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাজ্য সফরে গেলে গ্রেপ্তার হতে পারেন। এমন ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির সরকার। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার এমন ইঙ্গিত দেওয়া হলো।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র কেয়ার স্টেরমারের মুখপাত্র বলেন, ‘আমি নির্দিষ্ট কোনো মামলা নিয়ে কথা বলব না। যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে এটি সবসময় তা মেনে চলবে।এদিকে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিমন হ্যারিসও জানিয়েছেন, নেতানিয়াহু যদি আয়ারল্যান্ডে আসেন তাহলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।নেতানিয়াহু ও গ্যালান্তের বিরুদ্ধে জারি করা পরোয়ানা নিয়ে আইসিসি বলছে, ‘ক্ষুধাকে ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের জন্য এই দুইজনকে দায়ী করার যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে।’

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

যুক্তরাজ্যে গেলেই গ্রেপ্তার হবেন নেতানিয়াহু!

আপডেট সময় ০৫:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাজ্য সফরে গেলে গ্রেপ্তার হতে পারেন। এমন ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির সরকার। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার এমন ইঙ্গিত দেওয়া হলো।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র কেয়ার স্টেরমারের মুখপাত্র বলেন, ‘আমি নির্দিষ্ট কোনো মামলা নিয়ে কথা বলব না। যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে এটি সবসময় তা মেনে চলবে।এদিকে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিমন হ্যারিসও জানিয়েছেন, নেতানিয়াহু যদি আয়ারল্যান্ডে আসেন তাহলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।নেতানিয়াহু ও গ্যালান্তের বিরুদ্ধে জারি করা পরোয়ানা নিয়ে আইসিসি বলছে, ‘ক্ষুধাকে ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের জন্য এই দুইজনকে দায়ী করার যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে।’