ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার

নওগাঁর বদলগাছীতে কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে সপ্তম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা মোছাঃ নেসপাতি বেগম বাদী হয়ে বদলগাছী থানায় চারজনকে আসামি করে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৩০ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেছে (মামলা নং- ১২, তারিখ: ১১/০৬/২০২৬ খ্রিঃ)।

মামলার আসামিরা হলেন— উপজেলার কয়াভবানীপুর গ্রামের মোঃ রায়হান হোসেন (২৫), তার পিতা মোঃ বেলাল হোসেন (৫২), মাতা মোছাঃ শিরিন আক্তার (৪৫) এবং ভাই মোঃ সুমন হোসেন (২৮)।

এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অপহৃতা ছাত্রীটি কোলা বিজলি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। গত ৭ জুন  তারিখ  সকাল  ৭ টার দিকে  সে বাড়ি থেকে কোলা বাজারে কোচিং ও স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হয়। কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে সকাল ১০ টার দিকে কোলা ইউনিয়ন পরিষদের কাছে   পৌঁছালে পূর্ব পরিচিত প্রতিবেশী মোঃ রায়হান হোসেন অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজিযোগে তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ভাণ্ডারপুরের দিকে নিয়ে যায়।

বাদী মোছাঃ নেসপাতি বেগম এজাহারে উল্লেখ করেন, মেয়ে বাড়িতে ফিরে না আসায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে তিনি জানতে পারেন যে আসামিরা   তার মেয়েকে অপহরণ করেছে। পরবর্তীতে এই বিষয়ে অভিযুক্তদের পরিবারের সাথে কথা বলতে গেলে তারা ভুক্তভোগী পরিবারকে গালিগালাজ, ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।

বর্তমানে প্রধান আসামি ও অপহৃতা কিশোরীকে অজ্ঞাত জায়গায় আটকে রেখেছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক পার্থ কুমার জানান, শিক্ষার্থী নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার থেকে তাকে অবগত করা হয়।
অপহরন কারী রায়হান হোসেন প্রবাস ফেরত ।ঘটনার প্রায় ৩ সপ্তাহ পার হলেও পুলিশ আসামী ধরার ক্ষেত্রে কোন ভুমিকা পালন করছে না বলে অভিযোগ করে মামলার বাদি নেসপাতি বেগম।

বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন জানান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। অপহৃতা স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার এবং আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস

নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:২৮:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

নওগাঁর বদলগাছীতে কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে সপ্তম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা মোছাঃ নেসপাতি বেগম বাদী হয়ে বদলগাছী থানায় চারজনকে আসামি করে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৩০ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেছে (মামলা নং- ১২, তারিখ: ১১/০৬/২০২৬ খ্রিঃ)।

মামলার আসামিরা হলেন— উপজেলার কয়াভবানীপুর গ্রামের মোঃ রায়হান হোসেন (২৫), তার পিতা মোঃ বেলাল হোসেন (৫২), মাতা মোছাঃ শিরিন আক্তার (৪৫) এবং ভাই মোঃ সুমন হোসেন (২৮)।

এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অপহৃতা ছাত্রীটি কোলা বিজলি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। গত ৭ জুন  তারিখ  সকাল  ৭ টার দিকে  সে বাড়ি থেকে কোলা বাজারে কোচিং ও স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হয়। কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে সকাল ১০ টার দিকে কোলা ইউনিয়ন পরিষদের কাছে   পৌঁছালে পূর্ব পরিচিত প্রতিবেশী মোঃ রায়হান হোসেন অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজিযোগে তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ভাণ্ডারপুরের দিকে নিয়ে যায়।

বাদী মোছাঃ নেসপাতি বেগম এজাহারে উল্লেখ করেন, মেয়ে বাড়িতে ফিরে না আসায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে তিনি জানতে পারেন যে আসামিরা   তার মেয়েকে অপহরণ করেছে। পরবর্তীতে এই বিষয়ে অভিযুক্তদের পরিবারের সাথে কথা বলতে গেলে তারা ভুক্তভোগী পরিবারকে গালিগালাজ, ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।

বর্তমানে প্রধান আসামি ও অপহৃতা কিশোরীকে অজ্ঞাত জায়গায় আটকে রেখেছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক পার্থ কুমার জানান, শিক্ষার্থী নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার থেকে তাকে অবগত করা হয়।
অপহরন কারী রায়হান হোসেন প্রবাস ফেরত ।ঘটনার প্রায় ৩ সপ্তাহ পার হলেও পুলিশ আসামী ধরার ক্ষেত্রে কোন ভুমিকা পালন করছে না বলে অভিযোগ করে মামলার বাদি নেসপাতি বেগম।

বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন জানান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। অপহৃতা স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার এবং আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।