নওগাঁর আত্রাইয়ে দীর্ঘদিন পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বসতবাড়িতে হামলা, ইট নির্মিত প্রাচীর ও স্টোর রুম ভাঙচুর এবং হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার ধুলউরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ছয় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. মুক্তাদির রহমান (৪০) বাদী হয়ে নওগাঁর আত্রাই থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে আসামি করে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধুলউরি গ্রামের বাসিন্দা মুক্তাদির রহমানের সাথে আসামিদের পারিবারিক ও জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। একাধিকবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে শালিস বৈঠক হলেও বিবাদীরা তা অমান্য করে ওই জায়গা দখলের চেষ্টা করে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দুপুর আনুমানিক ১:০০ টার দিকে ১ নম্বর আসামি মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) এবং ৪ নম্বর আসামি মো. আমজাদ হোসেন (৪২)-এর হুকুমে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সাবল, কোদাল, ধারালো দা, হাসুয়া ও বাঁশের লাঠি) নিয়ে বেআইনিভাবে সংগঠিত হয়ে মুক্তাদির রহমানের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা ইটের তৈরি ঘেরা প্রাচীর ও স্টোর রুম ভাঙচুর করে আনুমানিক (ছয় লক্ষ) টাকার ক্ষতি সাধন করে।
প্রতিবাদে বাদী মুক্তাদির রহমানের ১৬ বছর বয়সী কন্যা মোছাঃ মেহেরুন আক্তার স্মৃতি এগিয়ে এলে ১২ নম্বর আসামি মোছাঃ রুনা বিবি তার হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপ মারে। স্মৃতি দ্রুত সরে যাওয়ায় প্রাণে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে আসামিরা পরিবারসহ তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী মো. মুক্তাদির রহমান জানান, “পূর্ব শত্রুতাবশত তারা দলবদ্ধ হয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও ক্ষতি সাধন করেছে। আমার মেয়কেও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”
আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম জানান, এজাহার আমলে নেওয়া হয়েছে । আসামীদের ধরতে তৎপরতা চলছে। ।
স্টাফ রিপোর্টার নওগাঁ: 











