ঢাকা ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চায় না। জাতির পিতার পররাষ্ট্রনীতি ছিল সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়; আমরা সেই নীতিতেই বিশ্বাস করি।

বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৭৫ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। তবে বহিঃশত্রুর আক্রমণ যদি হয়, সেটা যেন মোকাবিলা করতে পারি; তার জন্য উপযুক্ত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছি।’

সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে কোনো দুর্যোগে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও সেবা দিয়ে যাচ্ছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে গৌরবের সঙ্গে কাজ করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে যাচ্ছে। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, সিরিয়া ও তুরস্কে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও করোনা মহামারির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মহামারি থেকে আমরা সফলভাবে বের হয়ে আসতে পেরেছি। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। উন্নত দেশগুলোও মন্দার কবলে পড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি অনেক উর্বর। মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধুকে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনাদের তো কিছুই নেই, কীভাবে দেশকে গড়ে তুলবেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমার মাটি আছে, মানুষ আছে। আমি মাটি ও মানুষ দিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’ আমি সেই কথা বিশ্বাস করি। আমি চাই, প্রত্যেকটা নাগরিক যে যা পারেন উৎপাদন করেন। বিশ্ব অর্থনীতির মন্দার ধাক্কা যেন বাংলাদেশে না আসে।’

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চায় না। জাতির পিতার পররাষ্ট্রনীতি ছিল সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়; আমরা সেই নীতিতেই বিশ্বাস করি।

বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৭৫ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। তবে বহিঃশত্রুর আক্রমণ যদি হয়, সেটা যেন মোকাবিলা করতে পারি; তার জন্য উপযুক্ত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছি।’

সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে কোনো দুর্যোগে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও সেবা দিয়ে যাচ্ছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে গৌরবের সঙ্গে কাজ করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে যাচ্ছে। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, সিরিয়া ও তুরস্কে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও করোনা মহামারির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মহামারি থেকে আমরা সফলভাবে বের হয়ে আসতে পেরেছি। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। উন্নত দেশগুলোও মন্দার কবলে পড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি অনেক উর্বর। মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধুকে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনাদের তো কিছুই নেই, কীভাবে দেশকে গড়ে তুলবেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমার মাটি আছে, মানুষ আছে। আমি মাটি ও মানুষ দিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’ আমি সেই কথা বিশ্বাস করি। আমি চাই, প্রত্যেকটা নাগরিক যে যা পারেন উৎপাদন করেন। বিশ্ব অর্থনীতির মন্দার ধাক্কা যেন বাংলাদেশে না আসে।’