ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দের যুগের সমস্যা সমাধা করলেন মহাদেবপুরের ইউ এন ও মিজানুর (ভিডিও)

উপজেলা ক্যাটিন চত্তরে পাশে ফাঁকা জায়গায় চলছে ধান বেচা কেনা

এম আর রকি : নওগাঁর সব চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন এলাকা হিসাবে মহাদেবপুর উপজেলা বেশ আগে থেকেই পরিচিত । আর এ উপজেলায় রয়েছে ছোট বড় প্রায় ৪শ অটো হাসকিং মিল আর অটো রাইচ মিল । ধান চাল নির্ভর এ উপজেলায় ধানের কোন নির্ধারিত হাট নেই । তাই শনিবার আর বুধবার ধান বিকাতে আসা ক্রেতা আর বিক্রেতারা উপজেলার বক চত্তরের সরু সড়ক ব্যবহার করে আসছিল ।

গত প্রায় দের যুগ ধরেই এ কারবারে হাটের দিন চরম ভোগান্তিতে চলে এ বেচা কেনা । অবশেষে এ ভোগান্তির অবসান করলেন মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান । দীর্ঘ দিনের এ সমস্যা সমাধানে ইউ এন ও মিজানুর রহমানের  নিরন্তর প্রচেষ্টার এ সফতলতায় এলাকার সব শ্রেনী পেশার মানুষের সাধুবাদ পাচ্ছেন তিনি ।

ধানের হাট সড়ানোর পর বক চত্তর সৌন্দর্য ফিরে পায়

শনিবার ও বুধবার এ দুদিন সড়কের উপর ধানের হাট বসায় চরম বেকায়দায় পড়ে ধান বিক্রেতা সহ সাধারন মানুষ । সড়কে যান চলাচল ব্যহত হয় । হাট বারে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মন  ধান  সকাল থেকে সন্ধা অবধি চলে বেচা কেনা । ব্যবসায়ীদের সাথে একাধিকবার আলোচনা করে ধানের হাট টি অন্যত্র সরানোর চেষ্টা চালানো হয়েছে বিগত দিনে । কিন্ত ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ছিল না । তাই এভাবেই চলে আসছিল ।

এ অবস্থার অবসান ঘটালেন ইউ এন ও মিজানুর রহমান । গেল জুন মাসের ২৬ তারিখে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে সড়কের উপর থেকে ধানের হাটটি উপজেলা প্রশাসনের ক্যাটিন চত্তরের ফাঁকা জায়গায় সড়ানো হয় । এতে শনিবার আর বুধবারের তীব্র জ্যাম দুর হয়েছে । এখন সড়কে আর কোন যান জট থাকছে না । উপজেলার কলোনী পাড়ার বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, হাটের দিন বকের মোড়ে ধানের স্তুপ দেখে মনে হতো না এটা কোন সড়ক । এখন সে পরিস্থিতি নেই । সে সাথে আর যান জট হচ্ছে না ।

মহাদেবপুর উপজেলা চাউল কল মালিক সমিতির সাবেক  সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওসমান আলী বলেন, আমরা সব সময় ফাঁকা একটি জায়গা চেয়েছি যেখানে ধান কেনা বেচা করা যায় । তবে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান যথেষ্ট  আন্তরিক  । তিনি বলেন, এখন সড়ক থেকে পাশের ফাঁকা জায়গা দিয়েছেন তিনি ( উপজেলা নির্বাহী অফিসার) এ কারণে ধান কেনা বেচায় স্বস্থি ফিরেছে ।

মহাদেবপুর সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ধলু বলেন, আমরা সব সময় চেয়েছি ধান কেনা বেচার জন্য ফাঁকা জায়গায় হাট বসানো হোক । অনেক চেষ্টা করেছি কিন্ত ব্যবসায়ীরা আন্তরিক ছিলনা তাই হয়নি । অবশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ কাজ টি করতে পেরেছেন এ জন্য অশেষ ধন্যবাদ জানাই ।

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান  বলেন, মহাদেবপুর বাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল ধানের হাট সড়ানো ।আমি স্থানীয় চালকল মালিকদের সাথে কথা বলেছি । সড়কের জ্যাম দুর করা ক্রেতা বিক্রেতা যেন ভাল ভাবে ধান কেনা বেচা করতে পারে সে লক্ষ্য সড়ক থেকে হাট সরিয়ে আপাতত উপজেলা পরিষদের বাম পাশে ফাঁকা জায়গায় করা হয়েছে । তবে চিন্তা করা হচ্ছে ধানের জন্য স্থায়ী কোন জায়গায় হাট বসানোর ।

 

https://www.facebook.com/VisionNews71/videos/3037209206356464/

 

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

দের যুগের সমস্যা সমাধা করলেন মহাদেবপুরের ইউ এন ও মিজানুর (ভিডিও)

আপডেট সময় ০১:২৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০

এম আর রকি : নওগাঁর সব চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন এলাকা হিসাবে মহাদেবপুর উপজেলা বেশ আগে থেকেই পরিচিত । আর এ উপজেলায় রয়েছে ছোট বড় প্রায় ৪শ অটো হাসকিং মিল আর অটো রাইচ মিল । ধান চাল নির্ভর এ উপজেলায় ধানের কোন নির্ধারিত হাট নেই । তাই শনিবার আর বুধবার ধান বিকাতে আসা ক্রেতা আর বিক্রেতারা উপজেলার বক চত্তরের সরু সড়ক ব্যবহার করে আসছিল ।

গত প্রায় দের যুগ ধরেই এ কারবারে হাটের দিন চরম ভোগান্তিতে চলে এ বেচা কেনা । অবশেষে এ ভোগান্তির অবসান করলেন মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান । দীর্ঘ দিনের এ সমস্যা সমাধানে ইউ এন ও মিজানুর রহমানের  নিরন্তর প্রচেষ্টার এ সফতলতায় এলাকার সব শ্রেনী পেশার মানুষের সাধুবাদ পাচ্ছেন তিনি ।

ধানের হাট সড়ানোর পর বক চত্তর সৌন্দর্য ফিরে পায়

শনিবার ও বুধবার এ দুদিন সড়কের উপর ধানের হাট বসায় চরম বেকায়দায় পড়ে ধান বিক্রেতা সহ সাধারন মানুষ । সড়কে যান চলাচল ব্যহত হয় । হাট বারে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মন  ধান  সকাল থেকে সন্ধা অবধি চলে বেচা কেনা । ব্যবসায়ীদের সাথে একাধিকবার আলোচনা করে ধানের হাট টি অন্যত্র সরানোর চেষ্টা চালানো হয়েছে বিগত দিনে । কিন্ত ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ছিল না । তাই এভাবেই চলে আসছিল ।

এ অবস্থার অবসান ঘটালেন ইউ এন ও মিজানুর রহমান । গেল জুন মাসের ২৬ তারিখে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে সড়কের উপর থেকে ধানের হাটটি উপজেলা প্রশাসনের ক্যাটিন চত্তরের ফাঁকা জায়গায় সড়ানো হয় । এতে শনিবার আর বুধবারের তীব্র জ্যাম দুর হয়েছে । এখন সড়কে আর কোন যান জট থাকছে না । উপজেলার কলোনী পাড়ার বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, হাটের দিন বকের মোড়ে ধানের স্তুপ দেখে মনে হতো না এটা কোন সড়ক । এখন সে পরিস্থিতি নেই । সে সাথে আর যান জট হচ্ছে না ।

মহাদেবপুর উপজেলা চাউল কল মালিক সমিতির সাবেক  সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওসমান আলী বলেন, আমরা সব সময় ফাঁকা একটি জায়গা চেয়েছি যেখানে ধান কেনা বেচা করা যায় । তবে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান যথেষ্ট  আন্তরিক  । তিনি বলেন, এখন সড়ক থেকে পাশের ফাঁকা জায়গা দিয়েছেন তিনি ( উপজেলা নির্বাহী অফিসার) এ কারণে ধান কেনা বেচায় স্বস্থি ফিরেছে ।

মহাদেবপুর সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ধলু বলেন, আমরা সব সময় চেয়েছি ধান কেনা বেচার জন্য ফাঁকা জায়গায় হাট বসানো হোক । অনেক চেষ্টা করেছি কিন্ত ব্যবসায়ীরা আন্তরিক ছিলনা তাই হয়নি । অবশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ কাজ টি করতে পেরেছেন এ জন্য অশেষ ধন্যবাদ জানাই ।

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান  বলেন, মহাদেবপুর বাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল ধানের হাট সড়ানো ।আমি স্থানীয় চালকল মালিকদের সাথে কথা বলেছি । সড়কের জ্যাম দুর করা ক্রেতা বিক্রেতা যেন ভাল ভাবে ধান কেনা বেচা করতে পারে সে লক্ষ্য সড়ক থেকে হাট সরিয়ে আপাতত উপজেলা পরিষদের বাম পাশে ফাঁকা জায়গায় করা হয়েছে । তবে চিন্তা করা হচ্ছে ধানের জন্য স্থায়ী কোন জায়গায় হাট বসানোর ।

 

https://www.facebook.com/VisionNews71/videos/3037209206356464/