ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় ভাতিজার হাসুয়ার কোপে প্রান গেলো চাচার

  • নওগাঁর নিয়ামতপুরে ভাতিজার কোপে চাচা নিহনওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ৫নং রসুলপুর ইউনিয়নে পারিবারিক কলহের জেরে ভাতিজার এলোপাতাড়ি কোপে চাচা নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মো. আসাদ (৫০)।

    ১২ মে, সকাল ৮টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির গরুকে পানি খাইয়ে ফিরছিলেন আসাদ। এমন সময় তাঁর ভাতিজা নূর হাবিব সুমন পেছন থেকে এসে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন চাচা আসাদ।

    পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

    প্রথমদিকে ধারণা করা হচ্ছিল, এ ঘটনার পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পিত বিরোধ নেই। তবে এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুমনের বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে পাশ্ববর্তী গ্রামে থাকেন। আর সুমনের মা ও সুমন থাকতেন পুরাতন বাড়িতে। সুমনের বিরুদ্ধে তাঁর মাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ছিল। নিহত আসাদ এসব ঘটনায় প্রতিবাদ করতেন।

    স্থানীয়দের মতে, এই বিরোধের জেরে সুমন দীর্ঘদিন ধরে চাচার প্রতি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং তারই জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
    পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সুমন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস

নওগাঁয় ভাতিজার হাসুয়ার কোপে প্রান গেলো চাচার

আপডেট সময় ১২:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • নওগাঁর নিয়ামতপুরে ভাতিজার কোপে চাচা নিহনওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ৫নং রসুলপুর ইউনিয়নে পারিবারিক কলহের জেরে ভাতিজার এলোপাতাড়ি কোপে চাচা নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মো. আসাদ (৫০)।

    ১২ মে, সকাল ৮টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির গরুকে পানি খাইয়ে ফিরছিলেন আসাদ। এমন সময় তাঁর ভাতিজা নূর হাবিব সুমন পেছন থেকে এসে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন চাচা আসাদ।

    পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

    প্রথমদিকে ধারণা করা হচ্ছিল, এ ঘটনার পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পিত বিরোধ নেই। তবে এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুমনের বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে পাশ্ববর্তী গ্রামে থাকেন। আর সুমনের মা ও সুমন থাকতেন পুরাতন বাড়িতে। সুমনের বিরুদ্ধে তাঁর মাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ছিল। নিহত আসাদ এসব ঘটনায় প্রতিবাদ করতেন।

    স্থানীয়দের মতে, এই বিরোধের জেরে সুমন দীর্ঘদিন ধরে চাচার প্রতি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং তারই জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
    পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সুমন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।