ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাটোরে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রামের রুবেল হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকালে উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের তিরাইল পূর্বপাড়া গ্রামে বাড়ির পাশে বড়াল নদী থেকে মাটিভর্তি বস্তা গলায় বাঁধা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। রুবেল হোসেন তিরাইল গ্রামের আবু হানিফের ছেলে।

মৃত রুবেলের বড়ভাই রাজেদুল ইসলাম বলেন, আমার ভাই রাজশাহী থেকে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে মাস্টার্স পাস করলেও তিনি মানসিক রোগী ছিলেন। মাঝে মাঝে পাগলামি করতেন। সকালে তাকে ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করি।

পরে তার ঘরে একটি কাগজে লেখা ‘আমি নদীতে আড়ের পূর্বে মরতে যাচ্ছি পানিতে ডুবে’। লেখা দেখে তাকে নদীতে গিয়ে খুঁজতে থাকি। একপর্যায়ে নদীর আড়ের পাশে পানির নিচে মাটিভর্তি বস্তা রশি দিয়ে গলায় বাঁধা অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।

তবে রুবেলে মা জাহেরা বেগম ছেলের কাগজে লিখে মরতে যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না। তিনি বলেন, সকাল ৫টার দিকে তাকে খুঁজতে গিয়ে নদীর পাশে তার পায়ের স্যান্ডেল দেখে সন্দেহ হয়, সে বুঝি মরতে গেছে।

ছেলের কোনো শত্রু ছিল না। সে মানসিক রোগী ছিল। হয়তো নিজেই আত্মহত্যা করেছে। তবে একজন মাস্টার্স পাসের ছেলের এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুর রহিম বলেন, কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, এখনো তা জানা যায়নি। তবে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ট্যাগস

নাটোরে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট সময় ০৬:২২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রামের রুবেল হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকালে উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের তিরাইল পূর্বপাড়া গ্রামে বাড়ির পাশে বড়াল নদী থেকে মাটিভর্তি বস্তা গলায় বাঁধা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। রুবেল হোসেন তিরাইল গ্রামের আবু হানিফের ছেলে।

মৃত রুবেলের বড়ভাই রাজেদুল ইসলাম বলেন, আমার ভাই রাজশাহী থেকে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে মাস্টার্স পাস করলেও তিনি মানসিক রোগী ছিলেন। মাঝে মাঝে পাগলামি করতেন। সকালে তাকে ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করি।

পরে তার ঘরে একটি কাগজে লেখা ‘আমি নদীতে আড়ের পূর্বে মরতে যাচ্ছি পানিতে ডুবে’। লেখা দেখে তাকে নদীতে গিয়ে খুঁজতে থাকি। একপর্যায়ে নদীর আড়ের পাশে পানির নিচে মাটিভর্তি বস্তা রশি দিয়ে গলায় বাঁধা অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।

তবে রুবেলে মা জাহেরা বেগম ছেলের কাগজে লিখে মরতে যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না। তিনি বলেন, সকাল ৫টার দিকে তাকে খুঁজতে গিয়ে নদীর পাশে তার পায়ের স্যান্ডেল দেখে সন্দেহ হয়, সে বুঝি মরতে গেছে।

ছেলের কোনো শত্রু ছিল না। সে মানসিক রোগী ছিল। হয়তো নিজেই আত্মহত্যা করেছে। তবে একজন মাস্টার্স পাসের ছেলের এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুর রহিম বলেন, কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, এখনো তা জানা যায়নি। তবে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।