ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

সিলেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ,গ্রেফতার ২

দিলাওয়ার হোসেন ও তার সহযোগী গ্রেফতার

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত দিলাওয়ার হোসেন ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সিলেট নগরের শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার চার নম্বর রোডের দুই নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। একই বাসার দোতলায় ধর্ষণের শিকার নারী ও নিচতলায় অভিযুক্ত দিলাওয়ার পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, শামীমাবাদ এলাকার চার নম্বর রোডের দুই নম্বর বাসায় স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন এক গৃহবধূ।

শনিবার সন্ধ্যায় বাসার নিচতলার ভাড়াটে দিলাওয়ার হোসেন (৩৮) তার দুই সহযোগী হারুন মিয়া ওরফে চাক্কু হারুন (৩৫) ও জামাল মিয়া ওরফে বাইড্ডা জামালকে (৩৪) নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন।

সোমবার (০৫ অক্টোবর) দুপুরে ওই গৃহবধূকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসিতে) ভর্তি করা হয়েছে।

ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে রোববার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে দিলাওয়ার হোসেন ও হারুন মিয়া ওরফে চাক্কু হারুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাদী হয়ে সোমবার সকালে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন গৃহবধূ।

গ্রেফতারকৃত দিলাওয়ার শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার চার নম্বর রোডের দুই নম্বর বাসার বাসিন্দা। তিনি সিলেট সদর উপজেলার পাইকেরগাঁওয়ের লাল মিয়ার ছেলে।

হারুন নগরের তালতলা এলাকায় পার্কভিউ মেডিকেলের পেছনের একটি কলোনিতে ভাড়া থাকেন। ওসমানীনগর উপজেলার কুড়ুয়ার রাগবপুর গ্রামের মৃত শাহেদ মিয়ার ছেলে তিনি। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাদের দুজনকে মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল হোসেন সরকার বলেন, যে বাসায় ধর্ষণের শিকার নারী ভাড়া থাকেন ওই বাসার নিচতলায় মামলার আসামি দিলাওয়ার হোসেনও ভাড়া থাকেন।

দুই পরিবারের শিশুদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। পূর্ববিরোধের জের ধরে ওই গৃহবধূকে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দিলাওয়ার দুই সহযোগীকে নিয়ে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

দিলাওয়ার একাই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। হারুন ও জামাল দিলাওয়ারকে ধর্ষণে সহযোগিতা করেছেন। খবর পেয়ে দিলাওয়ার ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

২৯ সেপ্টেম্বর এক কিশোরীকে বাসার ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেন এক ছাত্রলীগকর্মী। এ ঘটনায় গত শুক্রবার ছাত্রলীগকর্মী রাকিব হোসাইন নিজুকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন কিশোরীর মা। শনিবার সন্ধ্যায় সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা থেকে ছাত্রলীগকর্মী নিজুকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসের সামনে প্রাইভেটকারের মধ্যে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুইজন।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়। পরে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

সিলেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ,গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ০৬:০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২০

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত দিলাওয়ার হোসেন ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সিলেট নগরের শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার চার নম্বর রোডের দুই নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। একই বাসার দোতলায় ধর্ষণের শিকার নারী ও নিচতলায় অভিযুক্ত দিলাওয়ার পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, শামীমাবাদ এলাকার চার নম্বর রোডের দুই নম্বর বাসায় স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন এক গৃহবধূ।

শনিবার সন্ধ্যায় বাসার নিচতলার ভাড়াটে দিলাওয়ার হোসেন (৩৮) তার দুই সহযোগী হারুন মিয়া ওরফে চাক্কু হারুন (৩৫) ও জামাল মিয়া ওরফে বাইড্ডা জামালকে (৩৪) নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন।

সোমবার (০৫ অক্টোবর) দুপুরে ওই গৃহবধূকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসিতে) ভর্তি করা হয়েছে।

ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে রোববার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে দিলাওয়ার হোসেন ও হারুন মিয়া ওরফে চাক্কু হারুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাদী হয়ে সোমবার সকালে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন গৃহবধূ।

গ্রেফতারকৃত দিলাওয়ার শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার চার নম্বর রোডের দুই নম্বর বাসার বাসিন্দা। তিনি সিলেট সদর উপজেলার পাইকেরগাঁওয়ের লাল মিয়ার ছেলে।

হারুন নগরের তালতলা এলাকায় পার্কভিউ মেডিকেলের পেছনের একটি কলোনিতে ভাড়া থাকেন। ওসমানীনগর উপজেলার কুড়ুয়ার রাগবপুর গ্রামের মৃত শাহেদ মিয়ার ছেলে তিনি। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাদের দুজনকে মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল হোসেন সরকার বলেন, যে বাসায় ধর্ষণের শিকার নারী ভাড়া থাকেন ওই বাসার নিচতলায় মামলার আসামি দিলাওয়ার হোসেনও ভাড়া থাকেন।

দুই পরিবারের শিশুদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। পূর্ববিরোধের জের ধরে ওই গৃহবধূকে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দিলাওয়ার দুই সহযোগীকে নিয়ে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

দিলাওয়ার একাই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। হারুন ও জামাল দিলাওয়ারকে ধর্ষণে সহযোগিতা করেছেন। খবর পেয়ে দিলাওয়ার ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

২৯ সেপ্টেম্বর এক কিশোরীকে বাসার ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেন এক ছাত্রলীগকর্মী। এ ঘটনায় গত শুক্রবার ছাত্রলীগকর্মী রাকিব হোসাইন নিজুকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন কিশোরীর মা। শনিবার সন্ধ্যায় সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা থেকে ছাত্রলীগকর্মী নিজুকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসের সামনে প্রাইভেটকারের মধ্যে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুইজন।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়। পরে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।