ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ভেজাল ওষুধ নিয়ে প্রতিবেদন করে সময় সংবাদ

নওগাঁয় নকল ওষুধ কারখানার সন্ধান, পরিচালককে কারাদণ্ড

ভেজাল ও মানহীন ওষুধ নিয়ে সময় সংবাদে প্রতিবেদন প্রচারের পর নড়েচড়ে বসেছে নওগাঁ জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের বাঙালপাড়ায় অনুমোদনবিহীন একটি নকল মেডিসিন কারখানার সন্ধান মেলে। সেখানে পশুখাদ্য ও ওষুধ উৎপাদন এবং বাজারজাত করা হচ্ছিল লাইসেন্স ছাড়াই।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ভিলেজ এগ্রোভেট নামের প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রবিউল আউয়ালকে আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে কারখানার সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং বিপুল পরিমাণ মানহীন পশুখাদ্য, ওষুধ ও উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।রবিবার দুপুরে এই অভিযান পরিচালনা করেন পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম।

এতে সহায়তা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ, ওষুধ প্রশাসন, পোরশা থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রমাণ মেলে, লাইসেন্স ছাড়া পশুখাদ্য উৎপাদন, অনুমোদনবিহীন ৬২ প্রকার নিম্নমানের ফুড সাপ্লিমেন্ট ও পশু ওষুধ মজুদ ও বাজারজাত করছিল প্রতিষ্ঠানটি। যা “মৎস্য ও পশুখাদ্য আইন ২০১০” অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন,“লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়া পশুখাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। জনস্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে।

ট্যাগস

ভেজাল ওষুধ নিয়ে প্রতিবেদন করে সময় সংবাদ

নওগাঁয় নকল ওষুধ কারখানার সন্ধান, পরিচালককে কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১০:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভেজাল ও মানহীন ওষুধ নিয়ে সময় সংবাদে প্রতিবেদন প্রচারের পর নড়েচড়ে বসেছে নওগাঁ জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের বাঙালপাড়ায় অনুমোদনবিহীন একটি নকল মেডিসিন কারখানার সন্ধান মেলে। সেখানে পশুখাদ্য ও ওষুধ উৎপাদন এবং বাজারজাত করা হচ্ছিল লাইসেন্স ছাড়াই।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ভিলেজ এগ্রোভেট নামের প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রবিউল আউয়ালকে আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে কারখানার সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং বিপুল পরিমাণ মানহীন পশুখাদ্য, ওষুধ ও উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।রবিবার দুপুরে এই অভিযান পরিচালনা করেন পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম।

এতে সহায়তা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ, ওষুধ প্রশাসন, পোরশা থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রমাণ মেলে, লাইসেন্স ছাড়া পশুখাদ্য উৎপাদন, অনুমোদনবিহীন ৬২ প্রকার নিম্নমানের ফুড সাপ্লিমেন্ট ও পশু ওষুধ মজুদ ও বাজারজাত করছিল প্রতিষ্ঠানটি। যা “মৎস্য ও পশুখাদ্য আইন ২০১০” অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন,“লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়া পশুখাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। জনস্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে।