ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

ধামইরহাটে করোনা আতঙ্কে দম্পতি পালিয়েছে

প্রতীকী ছবি

নওগাঁর, ধামইরহাট প্রতিনিধিঃ  নওগাঁর ধামইরহাটে ঢাকা ফেরত গার্মেন্টসকর্মী স্বামী-স্ত্রী করোনাভাইরাস আতঙ্ক নিয়ে কাউকে না জানিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তারা দুজনেই ঢাকা মিরপুরে গার্মেন্টসে কাজ করতেন।

ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসন পিড়লডাঙ্গা গ্রামের বাড়িটি লকডাউন ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস।

পলাতক আব্দুর রশীদ (২৬) ধামইরহাট ইউনিয়নের পিড়লডাঙ্গা গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের ছেলে । তিনি ঢাকা ফেরত গার্মেন্টসকর্মী।

ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জয়পুরহাটের ইউএনও মহোদয় আমাকে জানিয়েছেন, আব্দুর রশীদ নামে ঢাকা ফেরত ওই যুবক এবং তার স্ত্রী ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে আসেন।

জয়পুরহাটের স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের এক সপ্তাহের জন্য ইনস্টিটিউশন কোয়ারেন্টাইনে রেখে ছাড়পত্র দিয়ে বিদায় দেন। তারপর তারা খঞ্জনপুর কুটিবারি এলাকায় রশীদের শ্বশুর বাড়িতে ছলে যান।

কিছুদিন পর হঠাৎ আব্দুর রশীদের জ্বর, কাশি ও গলা ব্যথা শুরু হলে পালিয়ে নিজের বাড়ি ধামইরহাট উপজেলা পিড়লডাঙ্গা নিজ গ্রামে চলে আসেন।

আমরা খবর পেয়ে বুধবার (৬মে) রাতেই পিড়লডাঙ্গা রোগীর বাড়ি গিয়ে তাকে খুঁজে পাইনি। তিনি পলাতক। তাকে খুঁজে পেলে জয়পুরহাটে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে।

রশীদের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, রশীদ ও তার স্ত্রী দুজনেই মিরপুরের গার্মেন্টসকর্মী। ১৬ এপ্রিল ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে ১৭ এপ্রিল স্বামী-স্ত্রী দুজনেই জয়পুরহাটে রশীদের শ্বশুর বাড়িতে উঠে।

সেখান থেকে ঢাকা ফেরত করোনা রোগী সন্দেহে পুলিশ তাদেরকে জয়পুরহাট কারিগরী সেন্টারে সাতদিনের চিকিৎসা দেয়। শরীরে করোনাভাইরাস না থাকায় ছাড়পত্র দিয়ে ৩ মে ছেড়ে দিলে দুদিন পর বাসায় আসে।

তিনি বলেন, গত বুধবার বিকালে মটরসাইকেল নিয়ে কোথায় যে চলে গেছে জানিনা। এখন লোক মুখে জানতে পারলাম তার করোনা হয়েছে। আগে জানতে পারলে কোথাও যেতে দিতাম না।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

ধামইরহাটে করোনা আতঙ্কে দম্পতি পালিয়েছে

আপডেট সময় ০৫:০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

নওগাঁর, ধামইরহাট প্রতিনিধিঃ  নওগাঁর ধামইরহাটে ঢাকা ফেরত গার্মেন্টসকর্মী স্বামী-স্ত্রী করোনাভাইরাস আতঙ্ক নিয়ে কাউকে না জানিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তারা দুজনেই ঢাকা মিরপুরে গার্মেন্টসে কাজ করতেন।

ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসন পিড়লডাঙ্গা গ্রামের বাড়িটি লকডাউন ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস।

পলাতক আব্দুর রশীদ (২৬) ধামইরহাট ইউনিয়নের পিড়লডাঙ্গা গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের ছেলে । তিনি ঢাকা ফেরত গার্মেন্টসকর্মী।

ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জয়পুরহাটের ইউএনও মহোদয় আমাকে জানিয়েছেন, আব্দুর রশীদ নামে ঢাকা ফেরত ওই যুবক এবং তার স্ত্রী ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে আসেন।

জয়পুরহাটের স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের এক সপ্তাহের জন্য ইনস্টিটিউশন কোয়ারেন্টাইনে রেখে ছাড়পত্র দিয়ে বিদায় দেন। তারপর তারা খঞ্জনপুর কুটিবারি এলাকায় রশীদের শ্বশুর বাড়িতে ছলে যান।

কিছুদিন পর হঠাৎ আব্দুর রশীদের জ্বর, কাশি ও গলা ব্যথা শুরু হলে পালিয়ে নিজের বাড়ি ধামইরহাট উপজেলা পিড়লডাঙ্গা নিজ গ্রামে চলে আসেন।

আমরা খবর পেয়ে বুধবার (৬মে) রাতেই পিড়লডাঙ্গা রোগীর বাড়ি গিয়ে তাকে খুঁজে পাইনি। তিনি পলাতক। তাকে খুঁজে পেলে জয়পুরহাটে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে।

রশীদের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, রশীদ ও তার স্ত্রী দুজনেই মিরপুরের গার্মেন্টসকর্মী। ১৬ এপ্রিল ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে ১৭ এপ্রিল স্বামী-স্ত্রী দুজনেই জয়পুরহাটে রশীদের শ্বশুর বাড়িতে উঠে।

সেখান থেকে ঢাকা ফেরত করোনা রোগী সন্দেহে পুলিশ তাদেরকে জয়পুরহাট কারিগরী সেন্টারে সাতদিনের চিকিৎসা দেয়। শরীরে করোনাভাইরাস না থাকায় ছাড়পত্র দিয়ে ৩ মে ছেড়ে দিলে দুদিন পর বাসায় আসে।

তিনি বলেন, গত বুধবার বিকালে মটরসাইকেল নিয়ে কোথায় যে চলে গেছে জানিনা। এখন লোক মুখে জানতে পারলাম তার করোনা হয়েছে। আগে জানতে পারলে কোথাও যেতে দিতাম না।