ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

নারায়ণগঞ্জে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে নিহত ৩

সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:   নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও দুই শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

শুক্রবার (৮ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বন্দর কবরস্থান রোড দিঘীর পাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।এতে ঘুমন্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই দুই শিশু এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী নিহত হন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

নিহতরা হলেন- বিস্ফোরিত ভবনের নীচতলার বাসিন্দা খোরশেদ আলমের দুই ছেলে মাসমুন (১৩) ও জিসান (৮) এবং পাশের বাড়ির হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী আট মাসের গর্ভবতী লাবনী (৩০)।

আহতরা হলেন- সহিদ (৪৫), নাবিলা (৮), রুবেল শেখ (২৮), লেকমত শেখ (৫৫) ও তামান্না (১২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বন্দর দীঘিরপাড় এলাকার রফিকুল ইসলাম ওরফে হাসান মিয়ার ৫তলা ভবনের নীচ তলার সেপটিক ট্যাংক শুক্রবার ভোরে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।

এতে পাশের একটি ভবন ও একটি টিনশেড বাড়িতে সম্পূর্ণ ধসে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে বন্দর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে দুটি লাশ উদ্ধার এবং আহত অবস্থায় ছয়জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করলে পথেই গর্ভবতী লাবনীর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় অহিদ মিয়া জানান, প্রায় তিন মাস আগে বাড়ির মালিক হাসান মিয়া সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা বন্ধ করে দেওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় এলাকার কয়েকজন মিলে তাকে ঢাকনা বন্ধ না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তখন বন্ধ না করলে আজ এ দুর্ঘটনা ঘটতো না।

তিনি বলেন, হাসান মিয়ার ভুলের কারণে পাশে থাকা রতন মিয়ার ৪তলা ভবন ও পারুলের টিনশেড বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুক্লা সরকার। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ তিনটি বাড়িসহ পাশের আরও দুটি বাড়ি সিলগালা করে দেওয়ার ঘোষণা দেন।

ইউএনও শুক্লা সরকার জানান, ভোরে হঠাৎ করে বিকট শব্দে বিস্ফোরণে অন্তঃসত্ত্বা একজন নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছে। এতে পাঁচটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলো সিল করে দেওয়া হয়েছে।

বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ৫তলা বাড়ির মালিক হাসান মিয়া তিন মাস আগে তার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা বন্ধ করায় গ্যাস জমে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছি।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

নারায়ণগঞ্জে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে নিহত ৩

আপডেট সময় ০৪:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:   নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও দুই শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

শুক্রবার (৮ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বন্দর কবরস্থান রোড দিঘীর পাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।এতে ঘুমন্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই দুই শিশু এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী নিহত হন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

নিহতরা হলেন- বিস্ফোরিত ভবনের নীচতলার বাসিন্দা খোরশেদ আলমের দুই ছেলে মাসমুন (১৩) ও জিসান (৮) এবং পাশের বাড়ির হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী আট মাসের গর্ভবতী লাবনী (৩০)।

আহতরা হলেন- সহিদ (৪৫), নাবিলা (৮), রুবেল শেখ (২৮), লেকমত শেখ (৫৫) ও তামান্না (১২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বন্দর দীঘিরপাড় এলাকার রফিকুল ইসলাম ওরফে হাসান মিয়ার ৫তলা ভবনের নীচ তলার সেপটিক ট্যাংক শুক্রবার ভোরে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।

এতে পাশের একটি ভবন ও একটি টিনশেড বাড়িতে সম্পূর্ণ ধসে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে বন্দর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে দুটি লাশ উদ্ধার এবং আহত অবস্থায় ছয়জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করলে পথেই গর্ভবতী লাবনীর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় অহিদ মিয়া জানান, প্রায় তিন মাস আগে বাড়ির মালিক হাসান মিয়া সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা বন্ধ করে দেওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় এলাকার কয়েকজন মিলে তাকে ঢাকনা বন্ধ না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তখন বন্ধ না করলে আজ এ দুর্ঘটনা ঘটতো না।

তিনি বলেন, হাসান মিয়ার ভুলের কারণে পাশে থাকা রতন মিয়ার ৪তলা ভবন ও পারুলের টিনশেড বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুক্লা সরকার। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ তিনটি বাড়িসহ পাশের আরও দুটি বাড়ি সিলগালা করে দেওয়ার ঘোষণা দেন।

ইউএনও শুক্লা সরকার জানান, ভোরে হঠাৎ করে বিকট শব্দে বিস্ফোরণে অন্তঃসত্ত্বা একজন নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছে। এতে পাঁচটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলো সিল করে দেওয়া হয়েছে।

বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ৫তলা বাড়ির মালিক হাসান মিয়া তিন মাস আগে তার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা বন্ধ করায় গ্যাস জমে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছি।