ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের আল্টিমেটাম Logo নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই, আল্লাহ ছাড়া কেউ ঠেকাতে পারবে না: সালাহউদ্দিন Logo রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি Logo নুরের ওপর হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে: প্রেস সচিব Logo বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo গাজা দখলের পরিণাম ইসরাইলের জন্য হবে ভয়াবহ: হামাস Logo নওগাঁয় রাণীনগরে রাণীনগর অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন Logo স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সন্ধ্যায় হাসপাতালে যাচ্ছে খালেদা জিয়া Logo মুন্সীগঞ্জে পুলিশ ক্যাম্পে হামলার মূলহোতা গ্রেপ্তার Logo চীনের সামরিক কুচকাওয়াজে পুতিনের সাথে যোগ দেবেন কিমও

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে নিহতের ‘বন্ধু’ তানভীরকে আসামি করে মামলা

স্টাফ রিপোর্টারঃ  রাজধানীর কলাবাগানে ইংরেজি মাধ্যমপড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় একমাত্র আসামি নিহতের ‘বন্ধু’ তানভীর ইফতেফার দিহান (১৮)।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) মধ্যরাতে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এ ঘটনায় হাসপাতাল থেকে আটক দিহানের তিন বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

কলাবাগান থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান  বলেন, গতরাতে তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) আসামি করে ছাত্রীর বাবা ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলাটির তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়, এক তরুণ এক কিশোরীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় এনেছেন।

কিশোরীর শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। ওই সময় নিউমার্কেট অঞ্চল পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (এসি) আবুল হাসান ওই তরুণকে আটকে রাখতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন। কলাবাগান থানার পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে ওই তরুণকে আটক করে। খবর পেয়ে ওই তরুণের তিন বন্ধু হাসপাতালে গেলে পুলিশ তাদেরও আটক করে।

পরে চারজনকে কলাবাগান থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ পরে স্কুলছাত্রীর লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পুলিশের এসি আবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক তরুণ দাবি করেছে, মেয়েটি তার পূর্বপরিচিত।

বাসার সবাই ঢাকার বাইরে থাকার সুযোগে তাকে ডলফিন গলিতে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। এরপরই মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে তিনি তাকে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে মেয়েটির শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ট্যাগস

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের আল্টিমেটাম

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে নিহতের ‘বন্ধু’ তানভীরকে আসামি করে মামলা

আপডেট সময় ০২:০৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০২১

স্টাফ রিপোর্টারঃ  রাজধানীর কলাবাগানে ইংরেজি মাধ্যমপড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় একমাত্র আসামি নিহতের ‘বন্ধু’ তানভীর ইফতেফার দিহান (১৮)।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) মধ্যরাতে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এ ঘটনায় হাসপাতাল থেকে আটক দিহানের তিন বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

কলাবাগান থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান  বলেন, গতরাতে তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) আসামি করে ছাত্রীর বাবা ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলাটির তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়, এক তরুণ এক কিশোরীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় এনেছেন।

কিশোরীর শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। ওই সময় নিউমার্কেট অঞ্চল পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (এসি) আবুল হাসান ওই তরুণকে আটকে রাখতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন। কলাবাগান থানার পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে ওই তরুণকে আটক করে। খবর পেয়ে ওই তরুণের তিন বন্ধু হাসপাতালে গেলে পুলিশ তাদেরও আটক করে।

পরে চারজনকে কলাবাগান থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ পরে স্কুলছাত্রীর লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পুলিশের এসি আবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক তরুণ দাবি করেছে, মেয়েটি তার পূর্বপরিচিত।

বাসার সবাই ঢাকার বাইরে থাকার সুযোগে তাকে ডলফিন গলিতে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। এরপরই মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে তিনি তাকে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে মেয়েটির শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।