ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেপোটিজমের ধাক্কায় টুইটার থেকে বিদায় নিলেন সোনাক্ষী সিনহা

সোনাক্ষী সিনহা

বিনোদন ডেস্কঃ  একটা মৃত্যু নাড়িয়ে দিলো পুরো উপমহাদেশের বৃহত্তম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলিউডকে। বলিউডে ‘নেপোটিজম’ বা স্বজনপোষণ নিয়ে এখনও উত্তাল সামাজিক মাধ্যম।

একের পর এক অভিযোগ চলছেই, বিরূপ মন্তব্যের ঝড় বয়ে যাচ্ছে বলিউডের স্টার-কিডদের নিয়ে। এ ধাক্কা সামলাতে না পেরে অবশেষে সামাজিক মাধ্যম টুইটার থেকে বিদায় নিলেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বলিউডে একদিকে স্বজনপ্রীতি আর অন্যদিকে নবাগতদের প্রতি বিরূপ আচরণের অভিযোগ এখন তুঙ্গে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন তারকার নামে মামলাও হয়েছে।

করণ জোহর, আলিয়া ভাট-সহ অনেক বলিউড তারকার সামাজিক মাধ্যমে ফলোয়ারের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে তারকা পরিবারে জন্ম নেওয়া অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এখন বেশ অস্বস্তিতে আছেন।

ঠিক এই পরিস্থিতিতেই শত্রুঘ্নকন্যা সোনাক্ষী সিনহা টুইটারে লিখলেন, “আগ লগে বস্তি মে, মে আপনি মস্তি মে!” আর সেই পোস্ট করেই নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভ করে দেন অভিনেত্রী।

সোনাক্ষী নিজেও একজন ‘স্টার-কিড’। স্বাভাবিকভাবেই, এমন মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি।

মূলত সুশান্তের মৃত্যুকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে যে উথাল-পাথাল শুরু হয়েছে সোনাক্ষী যে সে দিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন, তা বোধহয় আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই।

সোনাক্ষীর এই মন্তব্যের পর তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়েছে নেটদুনিয়াজুড়ে। নেপোটিজম নিয়ে যে চর্চা শুরু হয়েছে, তা তার পছন্দ নয়। তিনি নিজেও হয়ত বিব্রত। তাই বিতর্কে না জড়িয়ে টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বিরতি নিলেন তিনি।

সোনাক্ষী সিনহার টুইটারে ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৮৫ লাখ। তার টুইটার ডিঅ্যাক্টিভ করার আগেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

শেষ টুইটে তিনি লেখেন, ‘মানসিক শান্তি পেতে আমি টুইটার থেকে বিদায় নিলাম। এ মুহূর্তে নেতিবাচক চিন্তাধারা থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন। আমি চললাম। অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করলাম। আপনারা শান্তিতে থাকুন।’

সোনাক্ষীর পর টুইটার থেকে বিরতি নিয়েছেন সাকিব সালিম, সালমান খানের ভগ্নিপতি আয়ুষ শর্মা, ‘নোটবুক’ খ্যাত জহির ইকবাল-সহ অনেক তারকাই।

উল্লেখ্য, সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকেই ইন্ডাস্ট্রির বহিরাগতদের কোণঠাসা করার অভিযোগ উঠেছে ভিন্ন দিক থেকে। একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন অনেকে।

তারকাসন্তান হওয়ার সুবাদে সিনেমার কাস্টিংয়ে যে তারাই প্রাধান্য পান, সে অভিযোগও উঠেছে বলিউডের খ্যাতনামা প্রযোজনা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে।

মূলত, করণ জোহর, সালমান খানের নামে। যশ রাজ ফিল্মসও আছে এই বিতর্কে। ইতোমধ্যেই সুশান্ত মৃত্যুর তদন্তে পুলিশি তদন্তে তাদের ডাক পড়েছে।

শত্রুঘ্ন সিনহা যদিও বরাবর বলে এসেছেন, সোনাক্ষীর জন্য তিনি কিছুই করেননি, মেয়ে যা করেছে একেবারে নিজের চেষ্টাতেই।

কিন্তু সুশান্তের মৃত্যুর মতো একটা স্পর্শকাতর ইস্যু নিয়ে একজন তারকা হিসেবে সোনাক্ষীর এমন মন্তব্য মানতে পারছেন না অনেকেই।

 

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

নেপোটিজমের ধাক্কায় টুইটার থেকে বিদায় নিলেন সোনাক্ষী সিনহা

আপডেট সময় ০৭:২২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০

বিনোদন ডেস্কঃ  একটা মৃত্যু নাড়িয়ে দিলো পুরো উপমহাদেশের বৃহত্তম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলিউডকে। বলিউডে ‘নেপোটিজম’ বা স্বজনপোষণ নিয়ে এখনও উত্তাল সামাজিক মাধ্যম।

একের পর এক অভিযোগ চলছেই, বিরূপ মন্তব্যের ঝড় বয়ে যাচ্ছে বলিউডের স্টার-কিডদের নিয়ে। এ ধাক্কা সামলাতে না পেরে অবশেষে সামাজিক মাধ্যম টুইটার থেকে বিদায় নিলেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বলিউডে একদিকে স্বজনপ্রীতি আর অন্যদিকে নবাগতদের প্রতি বিরূপ আচরণের অভিযোগ এখন তুঙ্গে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন তারকার নামে মামলাও হয়েছে।

করণ জোহর, আলিয়া ভাট-সহ অনেক বলিউড তারকার সামাজিক মাধ্যমে ফলোয়ারের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে তারকা পরিবারে জন্ম নেওয়া অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এখন বেশ অস্বস্তিতে আছেন।

ঠিক এই পরিস্থিতিতেই শত্রুঘ্নকন্যা সোনাক্ষী সিনহা টুইটারে লিখলেন, “আগ লগে বস্তি মে, মে আপনি মস্তি মে!” আর সেই পোস্ট করেই নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভ করে দেন অভিনেত্রী।

সোনাক্ষী নিজেও একজন ‘স্টার-কিড’। স্বাভাবিকভাবেই, এমন মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি।

মূলত সুশান্তের মৃত্যুকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে যে উথাল-পাথাল শুরু হয়েছে সোনাক্ষী যে সে দিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন, তা বোধহয় আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই।

সোনাক্ষীর এই মন্তব্যের পর তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়েছে নেটদুনিয়াজুড়ে। নেপোটিজম নিয়ে যে চর্চা শুরু হয়েছে, তা তার পছন্দ নয়। তিনি নিজেও হয়ত বিব্রত। তাই বিতর্কে না জড়িয়ে টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বিরতি নিলেন তিনি।

সোনাক্ষী সিনহার টুইটারে ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৮৫ লাখ। তার টুইটার ডিঅ্যাক্টিভ করার আগেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

শেষ টুইটে তিনি লেখেন, ‘মানসিক শান্তি পেতে আমি টুইটার থেকে বিদায় নিলাম। এ মুহূর্তে নেতিবাচক চিন্তাধারা থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন। আমি চললাম। অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করলাম। আপনারা শান্তিতে থাকুন।’

সোনাক্ষীর পর টুইটার থেকে বিরতি নিয়েছেন সাকিব সালিম, সালমান খানের ভগ্নিপতি আয়ুষ শর্মা, ‘নোটবুক’ খ্যাত জহির ইকবাল-সহ অনেক তারকাই।

উল্লেখ্য, সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকেই ইন্ডাস্ট্রির বহিরাগতদের কোণঠাসা করার অভিযোগ উঠেছে ভিন্ন দিক থেকে। একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন অনেকে।

তারকাসন্তান হওয়ার সুবাদে সিনেমার কাস্টিংয়ে যে তারাই প্রাধান্য পান, সে অভিযোগও উঠেছে বলিউডের খ্যাতনামা প্রযোজনা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে।

মূলত, করণ জোহর, সালমান খানের নামে। যশ রাজ ফিল্মসও আছে এই বিতর্কে। ইতোমধ্যেই সুশান্ত মৃত্যুর তদন্তে পুলিশি তদন্তে তাদের ডাক পড়েছে।

শত্রুঘ্ন সিনহা যদিও বরাবর বলে এসেছেন, সোনাক্ষীর জন্য তিনি কিছুই করেননি, মেয়ে যা করেছে একেবারে নিজের চেষ্টাতেই।

কিন্তু সুশান্তের মৃত্যুর মতো একটা স্পর্শকাতর ইস্যু নিয়ে একজন তারকা হিসেবে সোনাক্ষীর এমন মন্তব্য মানতে পারছেন না অনেকেই।