ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দেশের ২৫ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে ৫৫টি পোশাক কারখানা থেকে

দেশের ৫৫টি পোশাক কারখানায় ছাঁটাই হয়েছে ২৫ হাজার শ্রমিক। ছবি- সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টারঃ   চলমান করোনা সংকটের মধ্যেই দেশের ৫৫টি পোশাক কারখানায় ২৫ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে। যে সব পোশাক শ্রমিকের চাকরির বয়স ১ বছর জোরপূর্বক তাদের চাকরি থেকে না করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ভার্চুয়াল এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব অভিযোগ জানান শ্রমিক নেতারা। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

আলোচনায় গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, করোনার সংকটকালে দেশের পোশাক খাতের শ্রমিকরা নতুন করে বিপাকে পড়েছেন।

গার্মেন্ট মালিকরা বছরে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করেন, অথচ শ্রমিকদের বেতন দিতে পারেন না। দেশের ৫৫টি কারখানার ২৫ হাজার শ্রমিক এখনও বেতন পাননি।

‘করোনা ভাইরাসের সময় শ্রমিকদের নিয়ে তামাশা করা হয়েছে। তাদের গ্রাম থেকে ঢাকায় নেওয়া হলো, আবার গ্রামে পাঠানো হলো। এতে করে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হুমকি বেড়েছে। অনেক শ্রমিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন।’

শ্রমিকরা বারবার বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন, উল্লেখ করে জলি তালুকদার আরও বলেন, রানা প্লাজা ধসের ৭ বছর পার হলেও শ্রমিকদের অনেক দাবি পূরণ করা হয়নি। হত্যার বিচার হয়নি।

অনেক শ্রমিক সঠিকভাবে ক্ষতিপূরণ পাননি। রানা প্লাজায় ট্রাজেডিতে শ্রমিকরা মূলত মালিকদের বাড়তি মুনাফার লোভের শিকার হয়েছেন।

গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার বলেন, গার্মেন্টস মালিকরা শ্রমিকদের এক মাসের বেতন দিতে পারেন না, এটা একটা দুঃখ। আমাদের একটাই দাবি, শ্রমিকদের মার্চ ও এপ্রিল মাসের বেতনসহ বোনাস দিতে হবে। এখনও ৩০ শতাংশ শ্রমিক বেতন পাননি।

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

দেশের ২৫ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে ৫৫টি পোশাক কারখানা থেকে

আপডেট সময় ০৩:৫৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ   চলমান করোনা সংকটের মধ্যেই দেশের ৫৫টি পোশাক কারখানায় ২৫ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে। যে সব পোশাক শ্রমিকের চাকরির বয়স ১ বছর জোরপূর্বক তাদের চাকরি থেকে না করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ভার্চুয়াল এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব অভিযোগ জানান শ্রমিক নেতারা। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

আলোচনায় গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, করোনার সংকটকালে দেশের পোশাক খাতের শ্রমিকরা নতুন করে বিপাকে পড়েছেন।

গার্মেন্ট মালিকরা বছরে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করেন, অথচ শ্রমিকদের বেতন দিতে পারেন না। দেশের ৫৫টি কারখানার ২৫ হাজার শ্রমিক এখনও বেতন পাননি।

‘করোনা ভাইরাসের সময় শ্রমিকদের নিয়ে তামাশা করা হয়েছে। তাদের গ্রাম থেকে ঢাকায় নেওয়া হলো, আবার গ্রামে পাঠানো হলো। এতে করে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হুমকি বেড়েছে। অনেক শ্রমিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন।’

শ্রমিকরা বারবার বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন, উল্লেখ করে জলি তালুকদার আরও বলেন, রানা প্লাজা ধসের ৭ বছর পার হলেও শ্রমিকদের অনেক দাবি পূরণ করা হয়নি। হত্যার বিচার হয়নি।

অনেক শ্রমিক সঠিকভাবে ক্ষতিপূরণ পাননি। রানা প্লাজায় ট্রাজেডিতে শ্রমিকরা মূলত মালিকদের বাড়তি মুনাফার লোভের শিকার হয়েছেন।

গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার বলেন, গার্মেন্টস মালিকরা শ্রমিকদের এক মাসের বেতন দিতে পারেন না, এটা একটা দুঃখ। আমাদের একটাই দাবি, শ্রমিকদের মার্চ ও এপ্রিল মাসের বেতনসহ বোনাস দিতে হবে। এখনও ৩০ শতাংশ শ্রমিক বেতন পাননি।