ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জোর করে বালু নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা

চেয়ারম্যানসহ গ্রেফতার ৩

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: বালু লুটে বাধা দেয়ায় এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ময়মনসিংহের  হালুয়াঘাট উপজেলার স্বদেশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন- স্বদেশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদ, বালিজুড়ি গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে সোহেল মিয়া (২৫) ও ফুলপুর উপজেলার সঞ্চুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে শাহজাহান মিয়া (২৬)।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ফরিদ মিয়া বাদী হয়ে স্বদেশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে হালুয়াঘাট থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

পুলিশ জানায়, হালুয়াঘাটের কংশ নদী খননের বালু রাখার জন্য উপজেলার গাজীপুর গ্রামের প্রায় ৭ একর জমি ভাড়ায় নেন স্থানীয় মামুন মিয়া ও তার লোকজন।

বুধবার সকালে স্বদেশী ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদ লোকজন নিয়ে জোর করে ভেকু ও ট্রাক নিয়ে আসে বালু লুট করে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

জমির মালিকরা বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদ ও তার লোকজন জমির মালিক আব্দুল কাদির, বোনজামাই শরাফ উদ্দিন, ছেলে দোলন ও ফরিদকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে আহত করেন।

আহতদের উদ্ধার করে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পথে আব্দুল কাদির মারা যায়। আহত শরাফ উদ্দিন বলেন, চেয়ারম্যান ইরাদ নিজে আমার মাথায় বাড়ি দিয়েছেন এবং কাদিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।

হালুয়াঘাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বদেশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে সীমান্তবর্তী সাধুর বাজার এলাকা থেকে চেয়ারম্যান ইরাদ ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয় বলেও জানান ওসি মাহমুদুল হাসান।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

জোর করে বালু নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৮:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: বালু লুটে বাধা দেয়ায় এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ময়মনসিংহের  হালুয়াঘাট উপজেলার স্বদেশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন- স্বদেশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদ, বালিজুড়ি গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে সোহেল মিয়া (২৫) ও ফুলপুর উপজেলার সঞ্চুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে শাহজাহান মিয়া (২৬)।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ফরিদ মিয়া বাদী হয়ে স্বদেশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে হালুয়াঘাট থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

পুলিশ জানায়, হালুয়াঘাটের কংশ নদী খননের বালু রাখার জন্য উপজেলার গাজীপুর গ্রামের প্রায় ৭ একর জমি ভাড়ায় নেন স্থানীয় মামুন মিয়া ও তার লোকজন।

বুধবার সকালে স্বদেশী ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদ লোকজন নিয়ে জোর করে ভেকু ও ট্রাক নিয়ে আসে বালু লুট করে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

জমির মালিকরা বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদ ও তার লোকজন জমির মালিক আব্দুল কাদির, বোনজামাই শরাফ উদ্দিন, ছেলে দোলন ও ফরিদকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে আহত করেন।

আহতদের উদ্ধার করে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পথে আব্দুল কাদির মারা যায়। আহত শরাফ উদ্দিন বলেন, চেয়ারম্যান ইরাদ নিজে আমার মাথায় বাড়ি দিয়েছেন এবং কাদিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।

হালুয়াঘাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বদেশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে সীমান্তবর্তী সাধুর বাজার এলাকা থেকে চেয়ারম্যান ইরাদ ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয় বলেও জানান ওসি মাহমুদুল হাসান।