ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

সারা বিশ্বে করোনার ভ্যাকসিন দেবে চিনই; প্রস্তুতি সম্পন্ন

করোনাবিধ্বস্ত পৃথিবী (প্রতীকী ছবি)

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  গোটা বিশ্ব জুড়েই বিজ্ঞানীরা হন্যে হয়ে খুঁজছেন করোনার প্রতিষেধক। এখনো নির্ভরযোগ্য কোন ওষুধের সন্ধান তারা দিতে পারেনি। তবে এরমধ্যেই চিন কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে।

চিনের এই ভ্যাকসিন প্ল্যান্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একবার প্রতিষেধক কার্যকরী প্রমাণিত হলেই বছরে প্রায় ১০ কোটি প্রতিষেধক উৎপাদনেও সক্ষম এই প্ল্যান্ট। উৎপাদনকারী সংস্থা দ্য ফোর্থ কনস্ট্রাকশান কো লিমিটেডের অধীনেই রয়েছে বিশ্বের বায়োম্যাডিকেল বাজারের ৮০ শতাংশ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, তারা বিএসএল-৩ পদ্ধতিতে কাজ করতে সক্ষম। এর আগে এই পদ্ধতিতে কাজ হয়েছে সার্স ও মার্সের ক্ষেত্রেও।

১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হেবেইর এই সংস্থা  অ্যান্টিবডি, সেল থেরাপি এবং ইনসুলিন উৎপাদনের কাজ করে। এপ্রিল মাসে চিনের সিনোভেক বায়োটেক তাদের প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালিয়েছে। যদি তারা সফল হয় তাহলে তারাও বিপুল পরিমাণ প্রতিষেধক উৎপাদন করতে পারবে। সিনোভেকও ফার্ম তৈরির জন্য ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার জমি নিয়ে রেখেছে বেজিং প্রশাসনের কাছ থেকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১১ মে এর তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ৮ টি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। যার মধ্যে চারটি চিনের। আশার আলো দেখিয়ে ট্রায়ালের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে অ্যাডিনোভাইরাস ভেক্টর। চিনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের প্রধান ড. গাও ফু জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরেই আসতে পারে করোনা প্রতিষেধক। যা প্রথমে স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। তবে ডব্লিউএইচও অবশ্য বলছে ভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে আসতে আরও অন্তত ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। কিংবা তা অধরাও থেকে যেতে পারে।

অন্যদিকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা সারাহ গিলবার্ট আশাবাদী যে যদি সব ঠিকঠাক যায় তাহলে তাদের ভ্যাকসিন সেপ্টেম্বরেই বাজারে আসবে। এবং তারা ৮০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী যে তাদের ভ্যাকসিন করোনা কাত করতে সক্ষম।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

সারা বিশ্বে করোনার ভ্যাকসিন দেবে চিনই; প্রস্তুতি সম্পন্ন

আপডেট সময় ০১:২৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  গোটা বিশ্ব জুড়েই বিজ্ঞানীরা হন্যে হয়ে খুঁজছেন করোনার প্রতিষেধক। এখনো নির্ভরযোগ্য কোন ওষুধের সন্ধান তারা দিতে পারেনি। তবে এরমধ্যেই চিন কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে।

চিনের এই ভ্যাকসিন প্ল্যান্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একবার প্রতিষেধক কার্যকরী প্রমাণিত হলেই বছরে প্রায় ১০ কোটি প্রতিষেধক উৎপাদনেও সক্ষম এই প্ল্যান্ট। উৎপাদনকারী সংস্থা দ্য ফোর্থ কনস্ট্রাকশান কো লিমিটেডের অধীনেই রয়েছে বিশ্বের বায়োম্যাডিকেল বাজারের ৮০ শতাংশ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, তারা বিএসএল-৩ পদ্ধতিতে কাজ করতে সক্ষম। এর আগে এই পদ্ধতিতে কাজ হয়েছে সার্স ও মার্সের ক্ষেত্রেও।

১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হেবেইর এই সংস্থা  অ্যান্টিবডি, সেল থেরাপি এবং ইনসুলিন উৎপাদনের কাজ করে। এপ্রিল মাসে চিনের সিনোভেক বায়োটেক তাদের প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালিয়েছে। যদি তারা সফল হয় তাহলে তারাও বিপুল পরিমাণ প্রতিষেধক উৎপাদন করতে পারবে। সিনোভেকও ফার্ম তৈরির জন্য ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার জমি নিয়ে রেখেছে বেজিং প্রশাসনের কাছ থেকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১১ মে এর তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ৮ টি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। যার মধ্যে চারটি চিনের। আশার আলো দেখিয়ে ট্রায়ালের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে অ্যাডিনোভাইরাস ভেক্টর। চিনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের প্রধান ড. গাও ফু জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরেই আসতে পারে করোনা প্রতিষেধক। যা প্রথমে স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। তবে ডব্লিউএইচও অবশ্য বলছে ভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে আসতে আরও অন্তত ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। কিংবা তা অধরাও থেকে যেতে পারে।

অন্যদিকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা সারাহ গিলবার্ট আশাবাদী যে যদি সব ঠিকঠাক যায় তাহলে তাদের ভ্যাকসিন সেপ্টেম্বরেই বাজারে আসবে। এবং তারা ৮০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী যে তাদের ভ্যাকসিন করোনা কাত করতে সক্ষম।