গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নে ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. সোলায়মান ইসলাম নামে এক প্রধান শিক্ষককে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনগণ ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে কামারজানি ইউনিয়নের বাটিকামারী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত সোলায়মান কামারজানি ইউনিয়নের পূর্ব বাটিকামারী গ্রামের ‘মিফতাহুল কুরআন নূরানী কওমি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক এবং একই এলাকার আ. আজিজ বেপারির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার পাঠদান শেষে ওই ছাত্রীকে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন প্রধান শিক্ষক সোলায়মান। পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘটনাটি পরিবারের কাছে প্রকাশ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সোলায়মানকে আটক করে নদীর তীরবর্তী একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করে।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর স্থানীয় একটি মহল সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জনতার হাত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। তবে শিক্ষককে বেঁধে রাখার ছবি ও ঘটনার বিবরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের হয়।
কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন এবং স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে ছেড়ে দিয়েছে। তবে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ না হওয়ায় এখন পর্যন্ত পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা: 












