নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ডোবা থেকে কামরুন নাহার নামে এক তরুণীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কাইক্কারটেক সেতুসংলগ্ন একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কামরুন নাহার শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার মাগুরা গ্রামের সাদেক আলীর মেয়ে। তিনি সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় ‘কলাপাতা বার্গার’ নামে একটি রেস্তোরাঁয় ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে দুর্গন্ধ পেয়ে তারা ডোবায় সবুজ রঙের একটি ব্যাগ ভেসে থাকতে দেখেন। সন্দেহ হলে বিষয়টি পুলিশে জানান। খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ও নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাগটি উদ্ধার করে। খুলে দেখা যায়, ভেতরে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় এক নারীর মরদেহ। পরে স্বজনরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ডোবায় ফেলে দিয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নিখোঁজ ছিলেন কামরুন নাহার। বিভিন্ন স্থানে খুঁজে না পেয়ে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় ‘কলাপাতা বার্গার’ রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান জানান, ‘স্থানীয়দের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে নৌপুলিশের সহায়তায় ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তরুণীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড এবং অন্তত দুই-তিন দিন আগে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।’

স্টাফ রিপোটার : 











