ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি-জামায়াত প্রশাসন ভাগ করে নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপি ও জামায়াত ভাগ-ভাটোয়ারা করে প্রশাসন দখল করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। পাশাপাশি, গণমাধ্যম এখনো ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে বলেও মনে করেন তিনি।

মাহফুজ আলম বলেন, গণমাধ্যমকে সব গোষ্ঠী স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবে এ সবই নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বদিচ্ছা ও ঐকমত্যের ওপর।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যমের স্বনিয়ন্ত্রণ ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা’ নিয়ে গোলটেবিলে বৈঠকে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

এ সময় সিভিল মিলিটারি আমলাতন্ত্রকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত না করে মিডিয়াকে ফ্যাসিস্টমুক্ত করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তথ্য উপদেষ্টা। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা না দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে অন্যান্যরা বলেন, বিগত সরকারের আমলে গণমাধ্যমে যে অনিয়ম ছিলো- তা থেকে মুক্ত করার সুযোগ থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকার তা করেনি। কোনো কোনো গণমাধ্যমের চরিত্র সরকার বদলালে বদলে যায় বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।

সংবাদ প্রকাশে এজেন্সিগুলোর নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও করেন আলোচকরা। তারা বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলেই হলুদ সাংবাদিকতা কমে আসবে।

ট্যাগস

বিএনপি-জামায়াত প্রশাসন ভাগ করে নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:৪৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপি ও জামায়াত ভাগ-ভাটোয়ারা করে প্রশাসন দখল করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। পাশাপাশি, গণমাধ্যম এখনো ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে বলেও মনে করেন তিনি।

মাহফুজ আলম বলেন, গণমাধ্যমকে সব গোষ্ঠী স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবে এ সবই নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বদিচ্ছা ও ঐকমত্যের ওপর।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যমের স্বনিয়ন্ত্রণ ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা’ নিয়ে গোলটেবিলে বৈঠকে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

এ সময় সিভিল মিলিটারি আমলাতন্ত্রকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত না করে মিডিয়াকে ফ্যাসিস্টমুক্ত করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তথ্য উপদেষ্টা। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা না দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে অন্যান্যরা বলেন, বিগত সরকারের আমলে গণমাধ্যমে যে অনিয়ম ছিলো- তা থেকে মুক্ত করার সুযোগ থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকার তা করেনি। কোনো কোনো গণমাধ্যমের চরিত্র সরকার বদলালে বদলে যায় বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।

সংবাদ প্রকাশে এজেন্সিগুলোর নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও করেন আলোচকরা। তারা বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলেই হলুদ সাংবাদিকতা কমে আসবে।