ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাইজেরিয়ায় স্বর্ণখনিতে ভয়াবহ ধস, অন্তত ১১৩ শ্রমিকের মৃত্যুর আশঙ্কা

নাইজেরিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে একটি স্বর্ণখনিতে ধস নেমে অন্তত ১১৩ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের বরাত দিয়ে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার জামফারা রাজ্যের মারু জেলার কাদাউরি এলাকার এই স্বর্ণখনিতে ধস নামে, যখন খনিটির ভেতরে শত শত শ্রমিক কাজ করছিলেন।

ধসের পর আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী বাহিনী এবং স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্য সানুসি আওয়াল শুক্রবার রয়টার্সকে মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আমরা ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি। এখনও অন্তত ১০০ জনের মরদেহ ধ্বংস্তূপের তলায় চাপা পড়ে আছে।’

খনি থেকে বেঁচে ফেরা শ্রমিক ইসা সানি রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা যারা বেঁচে ফিরেছি, তারা সৌভাগ্যবান। এখনও অন্তত শতাধিক মরদেহ চাপা পড়ে আছে।’ জামফারা খনি শ্রমিকদের সংগঠনের নেতা মুহাম্মাদু ইসা জানিয়েছেন, খনিটিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এ বিষয়ে জামফারা পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবাকার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

ট্যাগস

নাইজেরিয়ায় স্বর্ণখনিতে ভয়াবহ ধস, অন্তত ১১৩ শ্রমিকের মৃত্যুর আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৫:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নাইজেরিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে একটি স্বর্ণখনিতে ধস নেমে অন্তত ১১৩ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের বরাত দিয়ে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার জামফারা রাজ্যের মারু জেলার কাদাউরি এলাকার এই স্বর্ণখনিতে ধস নামে, যখন খনিটির ভেতরে শত শত শ্রমিক কাজ করছিলেন।

ধসের পর আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী বাহিনী এবং স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্য সানুসি আওয়াল শুক্রবার রয়টার্সকে মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আমরা ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছি। এখনও অন্তত ১০০ জনের মরদেহ ধ্বংস্তূপের তলায় চাপা পড়ে আছে।’

খনি থেকে বেঁচে ফেরা শ্রমিক ইসা সানি রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা যারা বেঁচে ফিরেছি, তারা সৌভাগ্যবান। এখনও অন্তত শতাধিক মরদেহ চাপা পড়ে আছে।’ জামফারা খনি শ্রমিকদের সংগঠনের নেতা মুহাম্মাদু ইসা জানিয়েছেন, খনিটিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এ বিষয়ে জামফারা পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবাকার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।