ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তান। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন এ ভূমিকম্পে রাজধানী ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, পেশোয়ার, সোয়াতসহ খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পে মানুষজন আতঙ্কে দপ্তর ও বাসাবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে।

পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে জানানো হয়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৫। এর কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালায় এবং এটি ভূমির প্রায় ১৯৫ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে। গভীরতা বেশি হলেও কম্পন ছিল ব্যাপক।

পেশোয়ার, সোয়াত, চারসদ্দা ও বুনের জেলাগুলোতে ভূমিকম্পের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। লোয়ার দির ও মারদানেও কম্পনের স্পষ্ট প্রভাব পড়ে। আতঙ্কিত মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে খোলা জায়গায় ছুটে যায়। খাইবার জেলার ল্যান্ডিকোটাল এলাকায় মূল ভূমিকম্পের পর একাধিক আফটারশকও অনুভূত হয়েছে, যা জনমনে নতুন করে ভীতি ছড়িয়ে দেয়।

সোয়াত, চিত্রাল ও আশপাশের পার্বত্য এলাকার বাসিন্দারা আফটারশক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিন্দুকুশ অঞ্চলটি প্রাকৃতিকভাবেই ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হওয়ায় সেখানে মাঝারি থেকে শক্তিশালী কম্পনের ঝুঁকি সবসময়ই বিদ্যমান। বে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান

আপডেট সময় ১২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তান। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন এ ভূমিকম্পে রাজধানী ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, পেশোয়ার, সোয়াতসহ খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পে মানুষজন আতঙ্কে দপ্তর ও বাসাবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে।

পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে জানানো হয়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৫। এর কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালায় এবং এটি ভূমির প্রায় ১৯৫ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে। গভীরতা বেশি হলেও কম্পন ছিল ব্যাপক।

পেশোয়ার, সোয়াত, চারসদ্দা ও বুনের জেলাগুলোতে ভূমিকম্পের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। লোয়ার দির ও মারদানেও কম্পনের স্পষ্ট প্রভাব পড়ে। আতঙ্কিত মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে খোলা জায়গায় ছুটে যায়। খাইবার জেলার ল্যান্ডিকোটাল এলাকায় মূল ভূমিকম্পের পর একাধিক আফটারশকও অনুভূত হয়েছে, যা জনমনে নতুন করে ভীতি ছড়িয়ে দেয়।

সোয়াত, চিত্রাল ও আশপাশের পার্বত্য এলাকার বাসিন্দারা আফটারশক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিন্দুকুশ অঞ্চলটি প্রাকৃতিকভাবেই ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হওয়ায় সেখানে মাঝারি থেকে শক্তিশালী কম্পনের ঝুঁকি সবসময়ই বিদ্যমান। বে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।