ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের রাজনৈতিক প্রোগ্রাম মসজিদে! বের করে দিলো স্থানীয়রা

মুসলমানদের ধর্মীয় উপাসনালয় মসজিদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের চেষ্টায় বিপাকে পড়লেন জামায়াত ইসলামীর কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের নেতারা। এলাকার এক মসজিদে রাজনৈতিক সভা আয়োজনের অভিযোগে স্থানীয় মুসল্লিরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের প্রোগ্রাম বন্ধ করে মসজিদ থেকে বের করে দেন। যে ঘটনার ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সামাজিক মাধ্যমে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভিডিও করতে থাকা ব্যক্তি বারবার বলছেন, “রাজনৈতিক প্রোগ্রাম মসজিদে কেন? আপনারা বাইরে যান, মসজিদে কেন রাজনৈতিক প্রোগ্রাম হবে? রাজনৈতিক কোন প্রোগ্রাম মসজিদের ভিতরে হবে না। মসজিদে প্রোগ্রাম হবে শুধু মুসল্লির প্রোগ্রাম।”

এ সময় মসজিদের ভিতরে তুমুল হট্টগোল দেখা যায়। এলাকাবাসী সাধারণ মুসল্লিদের সাথে বাক-বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায় স্থানীয় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের।

এছাড়াও এই ভিডিওটিতে দেখা যায়, মসজিদের বাইরেই চেয়ার সাজানো এবং স্টেজও বানানো জামায়াতে ইসলামীর সেই প্রোগ্রামের। স্থানীয়দের দাবি, মসজিদের ভিতরে চলছিল জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা ও সাংগঠনিক আলোচনা।

স্থানীয় মুসল্লিরা একজোট হয়ে প্রথমে নেতাদের কার্যক্রমে বাধা দেন। পরে উত্তেজনা বেড়ে গেলে দলীয় ব্যক্তিদের মসজিদ চত্বর থেকে বের করে দেওয়া হয়।

মসজিদ শুধুই একটি ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, এটি মুসলিম সমাজের একাত্মতার প্রতীক, মহান আল্লাহর ঘর। সেখানে রাজনৈতিক স্বার্থে সভা আয়োজন ধর্মের সঙ্গে যেমন সাংঘর্ষিক, তেমনি সামাজিকভাবেও অগ্রহণযোগ্য। বিষয়টি নিয়ে তাই সামাজিক মাধ্যমসহ সর্বমহলে শুরু হয়েছে তুমুল সমালোচনা।

ট্যাগস

জামায়াতের রাজনৈতিক প্রোগ্রাম মসজিদে! বের করে দিলো স্থানীয়রা

আপডেট সময় ০৩:৪০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মুসলমানদের ধর্মীয় উপাসনালয় মসজিদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের চেষ্টায় বিপাকে পড়লেন জামায়াত ইসলামীর কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের নেতারা। এলাকার এক মসজিদে রাজনৈতিক সভা আয়োজনের অভিযোগে স্থানীয় মুসল্লিরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের প্রোগ্রাম বন্ধ করে মসজিদ থেকে বের করে দেন। যে ঘটনার ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সামাজিক মাধ্যমে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভিডিও করতে থাকা ব্যক্তি বারবার বলছেন, “রাজনৈতিক প্রোগ্রাম মসজিদে কেন? আপনারা বাইরে যান, মসজিদে কেন রাজনৈতিক প্রোগ্রাম হবে? রাজনৈতিক কোন প্রোগ্রাম মসজিদের ভিতরে হবে না। মসজিদে প্রোগ্রাম হবে শুধু মুসল্লির প্রোগ্রাম।”

এ সময় মসজিদের ভিতরে তুমুল হট্টগোল দেখা যায়। এলাকাবাসী সাধারণ মুসল্লিদের সাথে বাক-বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায় স্থানীয় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের।

এছাড়াও এই ভিডিওটিতে দেখা যায়, মসজিদের বাইরেই চেয়ার সাজানো এবং স্টেজও বানানো জামায়াতে ইসলামীর সেই প্রোগ্রামের। স্থানীয়দের দাবি, মসজিদের ভিতরে চলছিল জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা ও সাংগঠনিক আলোচনা।

স্থানীয় মুসল্লিরা একজোট হয়ে প্রথমে নেতাদের কার্যক্রমে বাধা দেন। পরে উত্তেজনা বেড়ে গেলে দলীয় ব্যক্তিদের মসজিদ চত্বর থেকে বের করে দেওয়া হয়।

মসজিদ শুধুই একটি ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, এটি মুসলিম সমাজের একাত্মতার প্রতীক, মহান আল্লাহর ঘর। সেখানে রাজনৈতিক স্বার্থে সভা আয়োজন ধর্মের সঙ্গে যেমন সাংঘর্ষিক, তেমনি সামাজিকভাবেও অগ্রহণযোগ্য। বিষয়টি নিয়ে তাই সামাজিক মাধ্যমসহ সর্বমহলে শুরু হয়েছে তুমুল সমালোচনা।