ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা কোটা শ্রীনিবাস মারা গেছেন

 তেলেগু চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও সাবেক বিধায়ক কোটা শ্রীনিবাস রাও আর নেই। আজ রোববার (১৩ জুলাই) হায়দরাবাদে নিজ বাসাভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যা ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রাণম খারেদু’ ছবির মাধ্যমে তেলেগু সিনেমায় তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন প্রায় ৭৫০টি মতো সিনেমা। এর মধ্যে তামিল, হিন্দিতে, কন্নড়ে এবং একটি মালয়ালম ভাষায় অভিনয় করেছেন তিনি।

বড়পর্দায় খলঅভিনেতা, চরিত্রাভিনেতা ও কমেডিয়ান-প্রতিটি ভূমিকাতেই দর্শক হৃদয় জয় করেছিলেন কোটা শ্রীনিবাস রাও। কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ অভিনয়ের জন্য তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ৯টি নন্দী পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে তাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন।

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন কোটা। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিজয়ওয়াড়া (পূর্ব) বিধানসভা আসনের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ট্যাগস

ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা কোটা শ্রীনিবাস মারা গেছেন

আপডেট সময় ১২:২২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 তেলেগু চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও সাবেক বিধায়ক কোটা শ্রীনিবাস রাও আর নেই। আজ রোববার (১৩ জুলাই) হায়দরাবাদে নিজ বাসাভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যা ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রাণম খারেদু’ ছবির মাধ্যমে তেলেগু সিনেমায় তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন প্রায় ৭৫০টি মতো সিনেমা। এর মধ্যে তামিল, হিন্দিতে, কন্নড়ে এবং একটি মালয়ালম ভাষায় অভিনয় করেছেন তিনি।

বড়পর্দায় খলঅভিনেতা, চরিত্রাভিনেতা ও কমেডিয়ান-প্রতিটি ভূমিকাতেই দর্শক হৃদয় জয় করেছিলেন কোটা শ্রীনিবাস রাও। কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ অভিনয়ের জন্য তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ৯টি নন্দী পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে তাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন।

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন কোটা। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিজয়ওয়াড়া (পূর্ব) বিধানসভা আসনের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।