ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

নিবন্ধন ফিরে পেতে জামায়াতের আপিল শুনানি এ সপ্তাহে

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিল শুনানি চলতি সপ্তাহে পুনরায় শুরু হবে। মঙ্গল বা বুধবার নিবন্ধন মামলাটি আদালতের কার্যতালিকায় আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।

রোববার (৪ মে) সকালে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ এ কথা জানান। এদিন আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানি চেয়ে জামায়াতের পক্ষে আবেদন করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী।

আবেদনে বলা হয়, জামায়াতের নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিল শুনানি শুরু হলেও হঠাৎ স্থগিত হয়ে যায়। এ মামলার সঙ্গে দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সরাসরি জড়িত হওয়ায় দ্রুত শুনানির প্রয়োজন।

শুনানি শেষে আপিল বিভাগ জানান, কার্যতালিকায় পর্যবেক্ষণে রাখুন। আগামী মঙ্গলবার বা বুধবার বিষয়টি শুনানির জন্য আদালতে উঠতে পারে। এর আগে, ১২ মার্চ রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিল শুনানি শুরু হয়।

গত বছরের ২২ অক্টোবর নিবন্ধন ফিরে পেতে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করে দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ফিরে পেতে ফের আইনি লড়াই শুরু করে জামায়াত।

আদালতে জামায়াতের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আলী আজম।

এক রিট আবেদন নিষ্পত্তি করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। এরপর ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর দলটির নিবন্ধন বাতিলে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তীতে হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামায়াতে ইসলামী। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানিতে জামায়াতের মূল আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় গত বছরের নভেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ ‘ডিসমিস ফর ডিফল্ট’ বলে আপিল খারিজের আদেশ দেন। ফলে বহাল থাকে হাইকোর্টের দেওয়া রায়।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

নিবন্ধন ফিরে পেতে জামায়াতের আপিল শুনানি এ সপ্তাহে

আপডেট সময় ১২:০২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিল শুনানি চলতি সপ্তাহে পুনরায় শুরু হবে। মঙ্গল বা বুধবার নিবন্ধন মামলাটি আদালতের কার্যতালিকায় আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।

রোববার (৪ মে) সকালে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ এ কথা জানান। এদিন আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানি চেয়ে জামায়াতের পক্ষে আবেদন করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী।

আবেদনে বলা হয়, জামায়াতের নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিল শুনানি শুরু হলেও হঠাৎ স্থগিত হয়ে যায়। এ মামলার সঙ্গে দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সরাসরি জড়িত হওয়ায় দ্রুত শুনানির প্রয়োজন।

শুনানি শেষে আপিল বিভাগ জানান, কার্যতালিকায় পর্যবেক্ষণে রাখুন। আগামী মঙ্গলবার বা বুধবার বিষয়টি শুনানির জন্য আদালতে উঠতে পারে। এর আগে, ১২ মার্চ রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিল শুনানি শুরু হয়।

গত বছরের ২২ অক্টোবর নিবন্ধন ফিরে পেতে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করে দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ফিরে পেতে ফের আইনি লড়াই শুরু করে জামায়াত।

আদালতে জামায়াতের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আলী আজম।

এক রিট আবেদন নিষ্পত্তি করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। এরপর ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর দলটির নিবন্ধন বাতিলে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তীতে হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামায়াতে ইসলামী। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানিতে জামায়াতের মূল আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় গত বছরের নভেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ ‘ডিসমিস ফর ডিফল্ট’ বলে আপিল খারিজের আদেশ দেন। ফলে বহাল থাকে হাইকোর্টের দেওয়া রায়।