ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার দায় স্বীকার করল ইসরায়েল

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের নেতা ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে ইসরায়েল। গত জুলাইয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার প্রায় ৫ মাস পর গতকাল সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) এর দায় স্বীকার করেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের শীর্ষ নেতাদের সতর্ক করে এক ভাষণে বলেন, “আমরা হুতিদের বিরুদ্ধে কঠোর হামলা করব এবং তাদের নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দিব। যেমনটা (ইসমাইল) হানিয়া, (ইয়াহিয়া) সিনওয়ার এবং (হাসান) নাসরাল্লাহর সঙ্গে তেহরান, গাজা এবং লেবাননে করেছিলাম। সেটিই আমরা হোদেইদা এবং সানায় (ইয়েমেনের রাজধানী) করব।”

হানিয়াকে হত্যার ঘটনায় ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছিল ইরান ও হামাস। তবে হত্যাকাণ্ডে ইসরায়েলের সম্পৃক্ততার কথা এর আগে স্বীকার করেনি দেশটি। এ ঘটনার প্রায় ৫ মাস পর প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে জুলাইয়ে হানিয়াকে হত্যাকাণ্ডে ইসরায়েলের সম্পৃক্ততা স্বীকার করল দেশটি।

২০১৭ সাল থেকে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধানের পদে থাকলেও তাকেই এই গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা মনে করা হতো। তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতি বিষয়ক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন।তার হত্যাকাণ্ডের পর হামাস ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে নতুন নেতা হিসেবে ঘোষণা করে। গত অক্টোবরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে তিনিও নিহত হন। এরপর থেকে হামাস এখনো নতুন নেতা বেছে নেয়ার প্রক্রিয়ায় আছে।

অন্যদিকে, হাসান নাসরাল্লাহ ছিলেন লেবাননে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর নেতা। সেপ্টেম্বরে বৈরুতে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে তিনি নিহত হন। ইসরায়েলের সাথে সীমান্তে প্রতিনিয়তই লড়াই করছিল হিজবুল্লাহ।ইয়েমেনের রাজধানীসহ বেশিরভাগ অংশ ইরান সমর্থিত হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। ফিলিস্তিনির গাজায় ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে হুতিরা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। তারা গাজা যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার দায় স্বীকার করল ইসরায়েল

আপডেট সময় ১২:২৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের নেতা ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে ইসরায়েল। গত জুলাইয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার প্রায় ৫ মাস পর গতকাল সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) এর দায় স্বীকার করেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের শীর্ষ নেতাদের সতর্ক করে এক ভাষণে বলেন, “আমরা হুতিদের বিরুদ্ধে কঠোর হামলা করব এবং তাদের নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দিব। যেমনটা (ইসমাইল) হানিয়া, (ইয়াহিয়া) সিনওয়ার এবং (হাসান) নাসরাল্লাহর সঙ্গে তেহরান, গাজা এবং লেবাননে করেছিলাম। সেটিই আমরা হোদেইদা এবং সানায় (ইয়েমেনের রাজধানী) করব।”

হানিয়াকে হত্যার ঘটনায় ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছিল ইরান ও হামাস। তবে হত্যাকাণ্ডে ইসরায়েলের সম্পৃক্ততার কথা এর আগে স্বীকার করেনি দেশটি। এ ঘটনার প্রায় ৫ মাস পর প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে জুলাইয়ে হানিয়াকে হত্যাকাণ্ডে ইসরায়েলের সম্পৃক্ততা স্বীকার করল দেশটি।

২০১৭ সাল থেকে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধানের পদে থাকলেও তাকেই এই গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা মনে করা হতো। তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতি বিষয়ক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন।তার হত্যাকাণ্ডের পর হামাস ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে নতুন নেতা হিসেবে ঘোষণা করে। গত অক্টোবরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে তিনিও নিহত হন। এরপর থেকে হামাস এখনো নতুন নেতা বেছে নেয়ার প্রক্রিয়ায় আছে।

অন্যদিকে, হাসান নাসরাল্লাহ ছিলেন লেবাননে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর নেতা। সেপ্টেম্বরে বৈরুতে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে তিনি নিহত হন। ইসরায়েলের সাথে সীমান্তে প্রতিনিয়তই লড়াই করছিল হিজবুল্লাহ।ইয়েমেনের রাজধানীসহ বেশিরভাগ অংশ ইরান সমর্থিত হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। ফিলিস্তিনির গাজায় ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে হুতিরা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। তারা গাজা যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।