ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাশিয়া ইস্যুতে এশিয়ায় কেন বিভক্তি?

আন্তর্জাতিক ডেক্স : ইউক্রেন আক্রমণের জেরে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেশে পরিণত হয়েছে রাশিয়া। পশ্চিমা দেশগুলো গণহারে নিষেধাজ্ঞা দিলেও মস্কোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে এশিয়ার হাতেগোনা কয়েকটি দেশ।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানায়নি চীন, কোনো নিষেধাজ্ঞাও দেয়নি। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, লাওস, মঙ্গোলিয়ার মতো দেশগুলো জাতিসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আনা নিন্দা প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ানের মতো পশ্চিমা মিত্ররা রাশিয়ার ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের অনুকরণে সুইফট গ্লোবাল পেমেন্ট সিস্টেম থেকে রাশিয়ার কয়েকটি ব্যাংককে বাদ দিয়েছে টোকিও এবং সিউল।

তবে মস্কোর গায়ে তাদের এই নিষেধাজ্ঞার আঁচ লেগেছে খুব সামান্যই। কারণ, পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন নিষেধাজ্ঞায় এশিয়ার যে কয়টি দেশ ও অঞ্চল যোগ দিয়েছে, রাশিয়ার বৈশ্বিক বাণিজ্যে তাদের অংশ মাত্র আট শতাংশের মতো।

আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্সের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ মুনির খসরুর মতে, এশিয়ার দুই জায়ান্ট চীন ও ভারতকে নিষেধাজ্ঞাদাতার কাতারে না আনলে মস্কোর ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ, রাশিয়ার বৈশ্বিক বাণিজ্যের ১৮ শতাংশের জন্য দায়ী এ দুটি দেশ

ট্যাগস

রাশিয়া ইস্যুতে এশিয়ায় কেন বিভক্তি?

আপডেট সময় ০১:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মার্চ ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেক্স : ইউক্রেন আক্রমণের জেরে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেশে পরিণত হয়েছে রাশিয়া। পশ্চিমা দেশগুলো গণহারে নিষেধাজ্ঞা দিলেও মস্কোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে এশিয়ার হাতেগোনা কয়েকটি দেশ।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানায়নি চীন, কোনো নিষেধাজ্ঞাও দেয়নি। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, লাওস, মঙ্গোলিয়ার মতো দেশগুলো জাতিসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আনা নিন্দা প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ানের মতো পশ্চিমা মিত্ররা রাশিয়ার ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের অনুকরণে সুইফট গ্লোবাল পেমেন্ট সিস্টেম থেকে রাশিয়ার কয়েকটি ব্যাংককে বাদ দিয়েছে টোকিও এবং সিউল।

তবে মস্কোর গায়ে তাদের এই নিষেধাজ্ঞার আঁচ লেগেছে খুব সামান্যই। কারণ, পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন নিষেধাজ্ঞায় এশিয়ার যে কয়টি দেশ ও অঞ্চল যোগ দিয়েছে, রাশিয়ার বৈশ্বিক বাণিজ্যে তাদের অংশ মাত্র আট শতাংশের মতো।

আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্সের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ মুনির খসরুর মতে, এশিয়ার দুই জায়ান্ট চীন ও ভারতকে নিষেধাজ্ঞাদাতার কাতারে না আনলে মস্কোর ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ, রাশিয়ার বৈশ্বিক বাণিজ্যের ১৮ শতাংশের জন্য দায়ী এ দুটি দেশ