ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উদ্ধার কাজে ১৫০ কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ১১ ল্যাডার

উদ্ধার কাজে ১৫০ কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ১১ ল্যাডার

স্টাফ রিপোর্টার:  ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৫ মিটার উচ্চতায় আগুন নেভানো ও উদ্ধার কাজের সক্ষমতা সম্পন্ন ১১টি ল্যাডার (যান্ত্রিক মই) কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ জনসেবা পদক অর্জন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘আপনাদর জন্য আরেকটি সুখবর আছে, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কাজের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়কে দুই হাজার ২৭৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এরমধ্যে ১৫০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে আমরা পেয়েছি। সেটা দিয়ে আমরা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাডার, যেটাবে এরিয়াল প্ল্যাটফর্ম ল্যাডার বলা হয়।

এটা প্রায় ৬৫ মিটার উচ্চতায় অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার কাজের সক্ষমতা সম্পন্ন। এমন ১১টি ল্যাডার কেনার জন্য আমরা ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। সেই সঙ্গে সিপিপির (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ৩০ কোটি টাকা আমরা বরাদ্দ রেখেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই ল্যাডারগুলো আমরা ঢাকায় দুটি, চট্টগ্রামে তিনটি, অন্যান্য ছয়টি বিভাগে একটি করে দেবো। এই ল্যাডারগুলো কেনা হলে আমাদের সক্ষমতা আরও বাড়বে। পর্যায়ক্রমে আমরা প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা হেডকোয়ার্টারের জন্য ল্যাডার ক্রয় করবো। এছাড়া অন্যান্য যন্ত্রপাতির তালিকা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে এগুলো ক্রয় করা হবে।’

চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি একনেকে প্রকল্পটি পাস হয়েছে। গত জুলাইয়ে দেড়শ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলেও জানান এনামুর রহমান।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ৬০টি মাল্টিপারপাস অ্যাকসেসঅ্যাবল রেসকিউ বোট তৈরি করেছি। ইতোমধ্যে যেগুলো বরাদ্দ পেয়েছি সেগুলো বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় পাঠিয়ে দিয়েছি। সেগুলো এখন কাজ করছে। এগুলো প্রতিবন্ধীবান্ধব।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা বাংলাদেশে প্রতিটি উপজেলার ফায়ার স্টেশনে দুই হাজার ২৭৩ কোটি টাকা থেকে কিনে উদ্ধার যন্ত্রপাতি পাঠাবো। এ বছর দেড়শ কোটি টাকার ক্রয় প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। আমরা একটির অনুমোদন পেয়ে গেছি। আগামী এবং এর পরের বছর পুরো টাকাটা ইনশাআল্লাহ খরচ করতে পারবো।’

ট্যাগস

উদ্ধার কাজে ১৫০ কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ১১ ল্যাডার

আপডেট সময় ০৩:০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার:  ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৫ মিটার উচ্চতায় আগুন নেভানো ও উদ্ধার কাজের সক্ষমতা সম্পন্ন ১১টি ল্যাডার (যান্ত্রিক মই) কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ জনসেবা পদক অর্জন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘আপনাদর জন্য আরেকটি সুখবর আছে, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কাজের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়কে দুই হাজার ২৭৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এরমধ্যে ১৫০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে আমরা পেয়েছি। সেটা দিয়ে আমরা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাডার, যেটাবে এরিয়াল প্ল্যাটফর্ম ল্যাডার বলা হয়।

এটা প্রায় ৬৫ মিটার উচ্চতায় অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার কাজের সক্ষমতা সম্পন্ন। এমন ১১টি ল্যাডার কেনার জন্য আমরা ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। সেই সঙ্গে সিপিপির (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ৩০ কোটি টাকা আমরা বরাদ্দ রেখেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই ল্যাডারগুলো আমরা ঢাকায় দুটি, চট্টগ্রামে তিনটি, অন্যান্য ছয়টি বিভাগে একটি করে দেবো। এই ল্যাডারগুলো কেনা হলে আমাদের সক্ষমতা আরও বাড়বে। পর্যায়ক্রমে আমরা প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা হেডকোয়ার্টারের জন্য ল্যাডার ক্রয় করবো। এছাড়া অন্যান্য যন্ত্রপাতির তালিকা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে এগুলো ক্রয় করা হবে।’

চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি একনেকে প্রকল্পটি পাস হয়েছে। গত জুলাইয়ে দেড়শ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলেও জানান এনামুর রহমান।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ৬০টি মাল্টিপারপাস অ্যাকসেসঅ্যাবল রেসকিউ বোট তৈরি করেছি। ইতোমধ্যে যেগুলো বরাদ্দ পেয়েছি সেগুলো বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় পাঠিয়ে দিয়েছি। সেগুলো এখন কাজ করছে। এগুলো প্রতিবন্ধীবান্ধব।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা বাংলাদেশে প্রতিটি উপজেলার ফায়ার স্টেশনে দুই হাজার ২৭৩ কোটি টাকা থেকে কিনে উদ্ধার যন্ত্রপাতি পাঠাবো। এ বছর দেড়শ কোটি টাকার ক্রয় প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। আমরা একটির অনুমোদন পেয়ে গেছি। আগামী এবং এর পরের বছর পুরো টাকাটা ইনশাআল্লাহ খরচ করতে পারবো।’