ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার আজানের অনুমতি পেল জার্মানির ৩৫ মসজিদ

শুক্রবার আজানের অনুমতি পেল জার্মানির ৩৫ মসজিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  জার্মানির বৃহত্তম মসজিদসহ ৩৫টি মসজিদে প্রতি শুক্রবার শর্তসাপেক্ষে লাউডস্পিকারে আজান সম্প্রচারের অনুমতি মিলেছে।

কোলন শহর কর্তৃপক্ষ এবং সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে আজানে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের একটি চুক্তি হয়েছে।

সোমবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বছরের প্রচেষ্টার পর কোলনের ৩৫টি মসজিদকে প্রতি শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে পাঁচ মিনিট সময় পর্যন্ত আজান সম্প্রচারের অনুমতি দেওয়া হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত কোলন কেন্দ্রীয় মসজিদ। এটি জার্মানির সবচেয়ে বড় মসজিদ।

কোলনের মেয়র হেনরিয়েট রেকার এক টুইটে বলেছেন, মুয়াজ্জিনের আজানের অনুমতি দেওয়া আমার কাছে একটি সম্মানের বিষয়।

শহর কর্তৃপক্ষ বলেছে, শুক্রবার আজান সম্প্রচার করতে চাওয়া মসজিদগুলোকে লাউডস্পিকারের শব্দসীমা মেনে চলতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশীদের বিষয়টি আগাম অবহিত করতে হবে।

জার্মানিতে প্রায় ৪৫ লাখ মুসলিমের বসবাস। দেশটির বৃহত্তম ধর্মীয় সংখ্যালঘু মুসলিমদের অধিকাংশই তুর্কি নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী।

ট্যাগস

শুক্রবার আজানের অনুমতি পেল জার্মানির ৩৫ মসজিদ

আপডেট সময় ১২:০৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর ২০২১
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  জার্মানির বৃহত্তম মসজিদসহ ৩৫টি মসজিদে প্রতি শুক্রবার শর্তসাপেক্ষে লাউডস্পিকারে আজান সম্প্রচারের অনুমতি মিলেছে।

কোলন শহর কর্তৃপক্ষ এবং সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে আজানে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের একটি চুক্তি হয়েছে।

সোমবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বছরের প্রচেষ্টার পর কোলনের ৩৫টি মসজিদকে প্রতি শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে পাঁচ মিনিট সময় পর্যন্ত আজান সম্প্রচারের অনুমতি দেওয়া হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত কোলন কেন্দ্রীয় মসজিদ। এটি জার্মানির সবচেয়ে বড় মসজিদ।

কোলনের মেয়র হেনরিয়েট রেকার এক টুইটে বলেছেন, মুয়াজ্জিনের আজানের অনুমতি দেওয়া আমার কাছে একটি সম্মানের বিষয়।

শহর কর্তৃপক্ষ বলেছে, শুক্রবার আজান সম্প্রচার করতে চাওয়া মসজিদগুলোকে লাউডস্পিকারের শব্দসীমা মেনে চলতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশীদের বিষয়টি আগাম অবহিত করতে হবে।

জার্মানিতে প্রায় ৪৫ লাখ মুসলিমের বসবাস। দেশটির বৃহত্তম ধর্মীয় সংখ্যালঘু মুসলিমদের অধিকাংশই তুর্কি নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী।