ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

নওগাঁর রাণীনগরে পাঁচ বছর ধরে বন্ধ ব্রিজের নির্মাণ কাজ

স্টাফ রিপোর্টার, নওগাঁ :   নওগাঁর রাণীনগরে সর্বরামপুর গ্রামে পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি একটি ব্রিজের নির্মাণ কাজ।  এলাকার জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে বরাদ্দ সাপেক্ষে ব্রিজ নির্মাণের প্রাথমিক কাজ হিসেবে খালের দুই পাড়ে শুধুমাত্র পিলার (খাম্বা) তৈরির পর রহস্যজনক ভাবে বন্ধ রয়েছে নির্মাণ কাজ।

দীর্ঘদিন ধরে এই ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় ওই এলাকার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষসহ স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের রতনডারি খাল পাড় হতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

তবে শুষ্ক মৌসুমে পায়ে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে খালে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পারিবারিক ডিঙ্গি নৌকায় ভরসা হয়ে দাঁড়ায় এই অঞ্চলের মানুষের।

জানা যায়, উপজেলা পরিষদের রাজস্ব উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রায় ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ স্বাপেক্ষে কাশিমপুর ইউনিয়নের সর্বরামপুর গ্রাম সংলগ্ন রতনডারি খালের ওপর ব্রিজ নির্মাণের জন্য ২০১৬ সালের মার্চ মাসে একটি দরপত্র আহ্বান করা হয়।

দরপত্র আহ্বানের পর দাপ্তরিক সকল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ শেষে ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। শুষ্ক মৌসুমে ওই খালের দুই পাড়ে দু’টি খাম্বা নির্মাণের পর রহস্যজনক কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় পাঁচ বছর অতিবাহিত হলেও এই ব্রিজটি নির্মাণে দৃশ্যমান কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান বাবু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এমন ব্রিজের নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য আমি বার বার সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছি কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না। গ্রামীণ জনপদে শহরের সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে অতি শীঘ্রই এই ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. শহিদুল হক বলেন, এই ব্রিজের নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করতে এখনও প্রায় ২৫ লাখ টাকার প্রয়োজন।

উপজেলা পরিষদের তহবিলে এই পরিমাণ টাকা না থাকায় ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। তবে বরাদ্দ পেলেই এই ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

নওগাঁর রাণীনগরে পাঁচ বছর ধরে বন্ধ ব্রিজের নির্মাণ কাজ

আপডেট সময় ০৪:৪৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, নওগাঁ :   নওগাঁর রাণীনগরে সর্বরামপুর গ্রামে পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি একটি ব্রিজের নির্মাণ কাজ।  এলাকার জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে বরাদ্দ সাপেক্ষে ব্রিজ নির্মাণের প্রাথমিক কাজ হিসেবে খালের দুই পাড়ে শুধুমাত্র পিলার (খাম্বা) তৈরির পর রহস্যজনক ভাবে বন্ধ রয়েছে নির্মাণ কাজ।

দীর্ঘদিন ধরে এই ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় ওই এলাকার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষসহ স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের রতনডারি খাল পাড় হতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

তবে শুষ্ক মৌসুমে পায়ে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে খালে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পারিবারিক ডিঙ্গি নৌকায় ভরসা হয়ে দাঁড়ায় এই অঞ্চলের মানুষের।

জানা যায়, উপজেলা পরিষদের রাজস্ব উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রায় ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ স্বাপেক্ষে কাশিমপুর ইউনিয়নের সর্বরামপুর গ্রাম সংলগ্ন রতনডারি খালের ওপর ব্রিজ নির্মাণের জন্য ২০১৬ সালের মার্চ মাসে একটি দরপত্র আহ্বান করা হয়।

দরপত্র আহ্বানের পর দাপ্তরিক সকল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ শেষে ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। শুষ্ক মৌসুমে ওই খালের দুই পাড়ে দু’টি খাম্বা নির্মাণের পর রহস্যজনক কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় পাঁচ বছর অতিবাহিত হলেও এই ব্রিজটি নির্মাণে দৃশ্যমান কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান বাবু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এমন ব্রিজের নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য আমি বার বার সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছি কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না। গ্রামীণ জনপদে শহরের সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে অতি শীঘ্রই এই ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. শহিদুল হক বলেন, এই ব্রিজের নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করতে এখনও প্রায় ২৫ লাখ টাকার প্রয়োজন।

উপজেলা পরিষদের তহবিলে এই পরিমাণ টাকা না থাকায় ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। তবে বরাদ্দ পেলেই এই ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।