ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য নতুন আইন অনুমোদন পুতিনের

আন্তর্জাতিক ডেক্স : রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার দেশে বিদেশি মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলোর জন্য নতুন একটি আইনে অনুমোদন দিয়েছেন। নতুন সেই আইনে বলা হয়েছে, কোনও বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেটে কর্মকাণ্ড চালাতে হলে তারা রাশিয়ায় শাখা কিংবা অফিস খুলতে বাধ্য থাকবে।

রাশিয়াতে ইন্টারনেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ সবসময়ই জোরদার করতে আগ্রহী দেশটির কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে তারা বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকে নির্ভরতা হ্রাস করতে চায়।

নতুন এই আইন বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ আরোপের লক্ষ্যে মস্কোর নেওয়া পদক্ষেপগুলোর তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এর আগে, রাশিয়ায় সরকারবিরোধীদের বিরুদ্ধে বিদেশি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অবৈধ বিক্ষোভ সংঘটনের অভিযোগ করা হয়েছিল। মস্কোর তরফ থেকে এমনকি বিভিন্ন কনটেন্টকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলোকে সেগুলো মুছে ফেলতে বলা হয়।

ক্রেমলিনের চাহিদা অনুযায়ী, কনটেন্ট সরিয়ে না নেওয়ায় জরিমানা আরোপের মতো ঘটনা ঘটে। শাস্তিমূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে টুইটারের স্পিড কমিয়ে দেওয়া হয়।

ট্যাগস

সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য নতুন আইন অনুমোদন পুতিনের

আপডেট সময় ১২:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেক্স : রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার দেশে বিদেশি মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলোর জন্য নতুন একটি আইনে অনুমোদন দিয়েছেন। নতুন সেই আইনে বলা হয়েছে, কোনও বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেটে কর্মকাণ্ড চালাতে হলে তারা রাশিয়ায় শাখা কিংবা অফিস খুলতে বাধ্য থাকবে।

রাশিয়াতে ইন্টারনেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ সবসময়ই জোরদার করতে আগ্রহী দেশটির কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে তারা বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকে নির্ভরতা হ্রাস করতে চায়।

নতুন এই আইন বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ আরোপের লক্ষ্যে মস্কোর নেওয়া পদক্ষেপগুলোর তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এর আগে, রাশিয়ায় সরকারবিরোধীদের বিরুদ্ধে বিদেশি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অবৈধ বিক্ষোভ সংঘটনের অভিযোগ করা হয়েছিল। মস্কোর তরফ থেকে এমনকি বিভিন্ন কনটেন্টকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলোকে সেগুলো মুছে ফেলতে বলা হয়।

ক্রেমলিনের চাহিদা অনুযায়ী, কনটেন্ট সরিয়ে না নেওয়ায় জরিমানা আরোপের মতো ঘটনা ঘটে। শাস্তিমূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে টুইটারের স্পিড কমিয়ে দেওয়া হয়।