ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জর্ডানে সেনা অভ্যুত্থান ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার সৌদির

আন্তর্জাতিক ডেক্স : জর্ডানের প্রিন্স হামজার বিরুদ্ধে বিদেশিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ সংক্রান্ত সব ধরনের খবর প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির সরকার।

মঙ্গলবার বিবিসি জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এ নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রসিকিউটর। এদিকে জর্ডানে সেনা অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

জর্ডানের সাবেক যুবরাজ হামজা বিন হুসেইনের বিরুদ্ধে দেশকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ কেন্দ্র করে দেশ ও দেশের বাইরে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এ সংক্রান্ত সব ধরনের খবর প্রচার নিষিদ্ধ করেছে দেশটির সরকার। বিষয়টি নিশ্চিত করে জর্ডানের প্রসিকিউটর জেনারেল জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও এই নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত থাকবে।

মঙ্গলবার জর্ডানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম, প্রসিকিউটর জেনারেলের ওই বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে আরও বলা হয় এ বিষয়ে যে কোনো ধরনের খবর প্রচার সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ নিষিদ্ধের পাশাপাশি এ ঘটনার তদন্ত সংক্রান্ত খবরাখবর প্রকাশও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার বাদশাহর প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে এ বিষয়ক এক চিঠিতে স্বাক্ষর করেন প্রিন্স হামজা। একই সঙ্গে নিজেকে বাদশাহর কাছে সোপর্দ করলেন বলেও জানান তিনি।

সম্প্রতি তিনি এক ভিডিও বার্তায় হামজা দাবি করেন, সেনাবাহিনী তাকে গৃহবন্দি করে রেখেছে। তাকে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হচ্ছে না। একই সঙ্গে দেশটির বহু শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অযোগ্যতা আর হয়রানির অভিযোগও তোলেন তিনি।

প্রিন্স হামজার ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি জানান, তদন্তে উঠে এসেছে প্রিন্স হামজা বিদেশি ও আদিবাসী নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করলে একই অভিযোগে প্রিন্সসহ আরও ১৬ সরকারি কর্মকর্তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা দেখা দেয় স্থানীয়দের মধ্যে।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

জর্ডানে সেনা অভ্যুত্থান ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার সৌদির

আপডেট সময় ১১:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ এপ্রিল ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেক্স : জর্ডানের প্রিন্স হামজার বিরুদ্ধে বিদেশিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ সংক্রান্ত সব ধরনের খবর প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির সরকার।

মঙ্গলবার বিবিসি জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এ নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রসিকিউটর। এদিকে জর্ডানে সেনা অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

জর্ডানের সাবেক যুবরাজ হামজা বিন হুসেইনের বিরুদ্ধে দেশকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ কেন্দ্র করে দেশ ও দেশের বাইরে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এ সংক্রান্ত সব ধরনের খবর প্রচার নিষিদ্ধ করেছে দেশটির সরকার। বিষয়টি নিশ্চিত করে জর্ডানের প্রসিকিউটর জেনারেল জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও এই নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত থাকবে।

মঙ্গলবার জর্ডানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম, প্রসিকিউটর জেনারেলের ওই বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে আরও বলা হয় এ বিষয়ে যে কোনো ধরনের খবর প্রচার সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ নিষিদ্ধের পাশাপাশি এ ঘটনার তদন্ত সংক্রান্ত খবরাখবর প্রকাশও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার বাদশাহর প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে এ বিষয়ক এক চিঠিতে স্বাক্ষর করেন প্রিন্স হামজা। একই সঙ্গে নিজেকে বাদশাহর কাছে সোপর্দ করলেন বলেও জানান তিনি।

সম্প্রতি তিনি এক ভিডিও বার্তায় হামজা দাবি করেন, সেনাবাহিনী তাকে গৃহবন্দি করে রেখেছে। তাকে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হচ্ছে না। একই সঙ্গে দেশটির বহু শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অযোগ্যতা আর হয়রানির অভিযোগও তোলেন তিনি।

প্রিন্স হামজার ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি জানান, তদন্তে উঠে এসেছে প্রিন্স হামজা বিদেশি ও আদিবাসী নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করলে একই অভিযোগে প্রিন্সসহ আরও ১৬ সরকারি কর্মকর্তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা দেখা দেয় স্থানীয়দের মধ্যে।