ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

ময়মনসিংহে অপহরণের তিন দিন পর শিশুকে হত্যা

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের তারাকান্দায় অপহরণের তিন দিন পর বাকপ্রতিবন্ধী সানজিদা আক্তারকে (৭) নামের এক শিশুকে হত্যায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মো. আবুল হাসিম আকন্দের ছেলে ইয়াছিন আকন্দ (১৬) ও তারাকান্দা বাজারে বিকাশ এজেন্ট নিশীত কুমার সিংহ (৫৭)।

নিহত সানজিদা আক্তার উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার শাহজাহান আকন্দের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ালেখা করতো।

এর আগে শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার রামচন্দ্রপুর জঙ্গল থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন রাতেই অজ্ঞাতনামা আসামি করে তারাকান্দা থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা শাহজাহান মিয়া।

রোববার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ র‍্যাব- ১৪ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মলনে লে. কর্নেল ইফতেখার উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মঙলবার (১২ জানুয়ারি) শিশু সানজিদাকে অপহরণ করে ইয়াসিন আকন্দ। পরে ওইদিন রাতেই ৫০ হাজার টাকা চেয়ে চিরকুট রেখে যায় ইয়াসিন ও শাকিল।

পরদিন বুধবার (১৩ জানুয়ারি) থানায় সাধারণ ডায়রি করেন সানজিদার বাবা শাহজাহান।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইয়াছিন জানায়, সুপারী কুড়ানোর নাম করে ইয়াছিন ও শাকিল সানজিদাকে বাড়ির পাশে জঙ্গলে নিয়ে যায়। কান্নাকাটি করলে ওই দিনই সানজিদাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে শাকিল ও ইয়াসিন।

হত্যার পর বুধবার অপহরণকারীরা তারাকান্দা বাজারের বিকাশ এজেন্ট নিশীথ কুমার সিংহের দোকান থেকে বিকাশ নাম্বারে ২০ হাজার টাকা পাঠাতে বলে। এরপর থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় তারা।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে শাকিল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। আর গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

ময়মনসিংহে অপহরণের তিন দিন পর শিশুকে হত্যা

আপডেট সময় ০৬:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের তারাকান্দায় অপহরণের তিন দিন পর বাকপ্রতিবন্ধী সানজিদা আক্তারকে (৭) নামের এক শিশুকে হত্যায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মো. আবুল হাসিম আকন্দের ছেলে ইয়াছিন আকন্দ (১৬) ও তারাকান্দা বাজারে বিকাশ এজেন্ট নিশীত কুমার সিংহ (৫৭)।

নিহত সানজিদা আক্তার উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার শাহজাহান আকন্দের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ালেখা করতো।

এর আগে শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার রামচন্দ্রপুর জঙ্গল থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন রাতেই অজ্ঞাতনামা আসামি করে তারাকান্দা থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা শাহজাহান মিয়া।

রোববার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ র‍্যাব- ১৪ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মলনে লে. কর্নেল ইফতেখার উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মঙলবার (১২ জানুয়ারি) শিশু সানজিদাকে অপহরণ করে ইয়াসিন আকন্দ। পরে ওইদিন রাতেই ৫০ হাজার টাকা চেয়ে চিরকুট রেখে যায় ইয়াসিন ও শাকিল।

পরদিন বুধবার (১৩ জানুয়ারি) থানায় সাধারণ ডায়রি করেন সানজিদার বাবা শাহজাহান।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইয়াছিন জানায়, সুপারী কুড়ানোর নাম করে ইয়াছিন ও শাকিল সানজিদাকে বাড়ির পাশে জঙ্গলে নিয়ে যায়। কান্নাকাটি করলে ওই দিনই সানজিদাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে শাকিল ও ইয়াসিন।

হত্যার পর বুধবার অপহরণকারীরা তারাকান্দা বাজারের বিকাশ এজেন্ট নিশীথ কুমার সিংহের দোকান থেকে বিকাশ নাম্বারে ২০ হাজার টাকা পাঠাতে বলে। এরপর থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় তারা।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে শাকিল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। আর গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে।