ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

পঞ্চগড়ে সাপ ধরতে ও কৌশল দেখাতে গিয়ে সাপুড়ের মৃত্যু

সাপ ধরার কৌশল দেখাতে গিয়ে সাপুড়ের মৃত্যু

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে সাপ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে শামিম ওরফে কালঠু (৩৬) নামে এক সাপুড়ের মৃত্যু হয়েছে। সাপ ধরার কৌশল দেখাতে গিয়েই তিনি মুহূর্তে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

বোদা উপজেলার কাজলদিঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সাপুড়ে কালঠু উপজেলা সদরের কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের পেত্মানিরহাট এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, স্থানীয়ভাবে সাপুড়ে ও মাহান (ওঝা) হিসেবে পরিচিত শামিম তার তিন সহযোগী নিয়ে ওই এলাকার সফিকুল ইসলামের বাড়িতে সাপ ধরতে যায়।

বেশ কয়েকদিন ধরেই ওই ব্যক্তির বাড়িতে বিষাক্ত গোখরা সাপের আনাগোনা লক্ষ্য করছিল তার পরিবারের লোকজন। বাড়িতে সাপের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা সাপ ধরার জন্য ওই সাপুড়েকে খবর দেন।

সাপুড়ে এসে বাড়ির বিভিন্নস্থানে খোঁজ করে তার সহযোগীসহ একটি সাপ ধরেও ফেলেন। এই সাপ বিষাক্ত গোখরা বা গোমা সাপ বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।

ধরার পর সবাইকে দেখিয়ে সাপটিকে বস্তাবন্দি করছিল শামিম। এ সময় হঠাৎ সাপটি লাফিয়ে উঠে এবং সাপুড়ে শামিমের পেটে ছোবল দেয়। মুহূর্তেই তার সাড়া শরীরে বিষ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলেও তাকে হাসপাতালে নিতে রাজি হয়নি শামিমের সহযোগীরা। তারাই তাদের মতো করে ঝাড়ফুঁক করে ভালো করার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

এর কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সাপুড়ে শামিম। পরে তার লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাপটি বস্তাবন্দি করা ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, ৭/৮ বছর ধরে শামিম বিভিন্ন এলাকায় সাপ ধরতে যেতেন। সাপ ধরা এবং সাপের খেলা দেখানোই ছিল তার পেশা।

তিনি সাপের খেলা ও যাদু খেলা দেখিয়ে সংসার চালাতেন।সাপের কামড়ে সাপুড়ের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেন কাজলদিঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলাল।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

পঞ্চগড়ে সাপ ধরতে ও কৌশল দেখাতে গিয়ে সাপুড়ের মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২০

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে সাপ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে শামিম ওরফে কালঠু (৩৬) নামে এক সাপুড়ের মৃত্যু হয়েছে। সাপ ধরার কৌশল দেখাতে গিয়েই তিনি মুহূর্তে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

বোদা উপজেলার কাজলদিঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সাপুড়ে কালঠু উপজেলা সদরের কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়নের পেত্মানিরহাট এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, স্থানীয়ভাবে সাপুড়ে ও মাহান (ওঝা) হিসেবে পরিচিত শামিম তার তিন সহযোগী নিয়ে ওই এলাকার সফিকুল ইসলামের বাড়িতে সাপ ধরতে যায়।

বেশ কয়েকদিন ধরেই ওই ব্যক্তির বাড়িতে বিষাক্ত গোখরা সাপের আনাগোনা লক্ষ্য করছিল তার পরিবারের লোকজন। বাড়িতে সাপের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা সাপ ধরার জন্য ওই সাপুড়েকে খবর দেন।

সাপুড়ে এসে বাড়ির বিভিন্নস্থানে খোঁজ করে তার সহযোগীসহ একটি সাপ ধরেও ফেলেন। এই সাপ বিষাক্ত গোখরা বা গোমা সাপ বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।

ধরার পর সবাইকে দেখিয়ে সাপটিকে বস্তাবন্দি করছিল শামিম। এ সময় হঠাৎ সাপটি লাফিয়ে উঠে এবং সাপুড়ে শামিমের পেটে ছোবল দেয়। মুহূর্তেই তার সাড়া শরীরে বিষ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলেও তাকে হাসপাতালে নিতে রাজি হয়নি শামিমের সহযোগীরা। তারাই তাদের মতো করে ঝাড়ফুঁক করে ভালো করার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

এর কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সাপুড়ে শামিম। পরে তার লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাপটি বস্তাবন্দি করা ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, ৭/৮ বছর ধরে শামিম বিভিন্ন এলাকায় সাপ ধরতে যেতেন। সাপ ধরা এবং সাপের খেলা দেখানোই ছিল তার পেশা।

তিনি সাপের খেলা ও যাদু খেলা দেখিয়ে সংসার চালাতেন।সাপের কামড়ে সাপুড়ের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেন কাজলদিঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলাল।