ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

ফিফায় আবারও দুর্নীতি! এবার মামলা ইনফ্যান্তিনোর বিরুদ্ধে

মামলা ইনফ্যান্তিনোর বিরুদ্ধে

ক্রীড়া ডেস্কঃ দুর্নীতির বিশাল অভিযোগ নিয়েই বেশ কয়েক বছর আগে বরখাস্ত হয়েছিলেন সেফ ব্ল্যাটার। ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফাকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়েছিল।

নতুন করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালীন উয়েফা সেক্রেটারি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো।কিন্তু আবারও দুর্নীতিতে বিপর্যস্ত ফিফা। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার-

প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন স্পেশ্যাল সুইস প্রসিকিউটর স্টেফান কেলার।

সুইস অ্যাটর্নি জেনারেল মাইকেল লওবারের সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্টের ‘গোপন বৈঠক’কে কেন্দ্র করেই বৃহস্পতিবার এই মামলা করেন কেলার।

২০১৭ সালে বার্নের এক হোটেলে ইনফ্যান্তিনোর সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন লওবার। সে সময় ফিফায় দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে পুরোদমে তদন্ত চলছিল।

কিন্তু অদ্ভুতভাবে ওই বৈঠকের কথা দু’জনের মধ্যে কেউ জনসমক্ষে স্বীকার করেননি। বরং যতবারই বৈঠকের কথা জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এড়িয়ে যান লওবার ও ইনফান্তিনো। যাদের দাবি দু’জনের মধ্যে কারও মনে নেই সেই বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

কিন্তু দেখা যায় সেই সময় পনেরো মাসের মধ্যে সেটা ছিল ইনফ্যান্তিনো এবং লওবারের মধ্যে তৃতীয় বৈঠক। আর এখানেই বিতর্কের সূত্রপাত। সেই বৈঠক নিয়ে তদন্ত করেছেন কেলার।

এরপরই দেখা গেছে, সেই বৈঠকে এমন অনেক জিনিস নিয়ে আলোচনা করা হয় যা বেআইনি। সে কারণেই এই ঘটনার পুরো তদন্ত হওয়া উচিত, যাতে পুরো ছবিটা সবার সামনে পরিষ্কার হয়।

গত শুক্রবারই আবার লওবার জানিয়েছিলেন, তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। তবে শুধু ইনফান্তিনো নন। বরং লওবার ও ভালাইসের প্রসিকিউটর রিনাল্ডো আর্নল্ডের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি মামলা করতে চলেছেন কেলার।

ফিফার বিরুদ্ধে বরাবরই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শেপ ব্ল্যাটার ২০১৫ সালে ফিফা প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন। এবার ইনফান্তিনোকে নিয়ে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয় এখন সেটাই দেখার বিষয়।

তবে ফিফার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, তারা এই তদন্তে পুরোপুরি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সেখানেই নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে ইনফ্যান্তিনো বলেন,-

‘সুইজারল্যান্ডের অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে যে বৈঠকে বসেছিলাম, সেটা অবৈধ কিছু ছিল না। পুরোপুরি বৈধ এবং আইনসম্মত। এখানে কোনো আইন ভঙ্গ করা হয়নি। বরং, এই বৈঠকটা ছিল ফিফা প্রেসিডেন্ট হিসেবে যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে আমাকে, সেই বলে।’

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

ফিফায় আবারও দুর্নীতি! এবার মামলা ইনফ্যান্তিনোর বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৮:২৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০

ক্রীড়া ডেস্কঃ দুর্নীতির বিশাল অভিযোগ নিয়েই বেশ কয়েক বছর আগে বরখাস্ত হয়েছিলেন সেফ ব্ল্যাটার। ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফাকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়েছিল।

নতুন করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালীন উয়েফা সেক্রেটারি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো।কিন্তু আবারও দুর্নীতিতে বিপর্যস্ত ফিফা। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার-

প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন স্পেশ্যাল সুইস প্রসিকিউটর স্টেফান কেলার।

সুইস অ্যাটর্নি জেনারেল মাইকেল লওবারের সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্টের ‘গোপন বৈঠক’কে কেন্দ্র করেই বৃহস্পতিবার এই মামলা করেন কেলার।

২০১৭ সালে বার্নের এক হোটেলে ইনফ্যান্তিনোর সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন লওবার। সে সময় ফিফায় দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে পুরোদমে তদন্ত চলছিল।

কিন্তু অদ্ভুতভাবে ওই বৈঠকের কথা দু’জনের মধ্যে কেউ জনসমক্ষে স্বীকার করেননি। বরং যতবারই বৈঠকের কথা জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এড়িয়ে যান লওবার ও ইনফান্তিনো। যাদের দাবি দু’জনের মধ্যে কারও মনে নেই সেই বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

কিন্তু দেখা যায় সেই সময় পনেরো মাসের মধ্যে সেটা ছিল ইনফ্যান্তিনো এবং লওবারের মধ্যে তৃতীয় বৈঠক। আর এখানেই বিতর্কের সূত্রপাত। সেই বৈঠক নিয়ে তদন্ত করেছেন কেলার।

এরপরই দেখা গেছে, সেই বৈঠকে এমন অনেক জিনিস নিয়ে আলোচনা করা হয় যা বেআইনি। সে কারণেই এই ঘটনার পুরো তদন্ত হওয়া উচিত, যাতে পুরো ছবিটা সবার সামনে পরিষ্কার হয়।

গত শুক্রবারই আবার লওবার জানিয়েছিলেন, তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। তবে শুধু ইনফান্তিনো নন। বরং লওবার ও ভালাইসের প্রসিকিউটর রিনাল্ডো আর্নল্ডের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি মামলা করতে চলেছেন কেলার।

ফিফার বিরুদ্ধে বরাবরই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শেপ ব্ল্যাটার ২০১৫ সালে ফিফা প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন। এবার ইনফান্তিনোকে নিয়ে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয় এখন সেটাই দেখার বিষয়।

তবে ফিফার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, তারা এই তদন্তে পুরোপুরি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সেখানেই নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে ইনফ্যান্তিনো বলেন,-

‘সুইজারল্যান্ডের অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে যে বৈঠকে বসেছিলাম, সেটা অবৈধ কিছু ছিল না। পুরোপুরি বৈধ এবং আইনসম্মত। এখানে কোনো আইন ভঙ্গ করা হয়নি। বরং, এই বৈঠকটা ছিল ফিফা প্রেসিডেন্ট হিসেবে যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে আমাকে, সেই বলে।’