ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

প্রথমে ৫০টি অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

স্টাফ রি‌পোর্টারঃ গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে পজেটিভ পাওয়া দেশের ৫০টি অনলাইন গণমাধ্যমকে প্রথমে নিবন্ধন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, আমরা আজকে রাতে সেগুলোর তালিকা ওয়েবসাইটে আপলোড করব। এসব গণমাধ্যম ইদের পর ফি জমা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গোয়েন্দা রিপোর্ট না পাওয়ায় প্রথম দফায় প্রতিষ্ঠিত অনলাইনগুলোর নাম না থাকতে পারে। তারাও পরে নিবন্ধন পাবে।

আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলাম যে, অনলাইনগুলোর রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে। রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার জন্য আমরা দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে দিয়ে সবগুলো অনলাইনের তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছিলাম।

তারা অনেকগুলো অনলাইনের ব্যাপারে রিপোর্ট দিয়েছে আমাদের কাছে। আমরা বলেছিলাম ঈদের  আগে অনলাইনগুলো রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারে ঘোষণা দেব।

হাছান মাহমুদ বলেন, অনেক অনলাইনের ব্যাপারে নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে, যাদের ব্যাপারে নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে তাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, আজকে অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে যখন দেশ জিজিটাল হয়েছে, তখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর-

সংখ্যা সাড়ে ১০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। তখন মানুষ ব্যাপকভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন পত্রিকাগুলো পড়ে।

কিন্তু প্রায়শ দেখতে পাই, কারো কারো, সবার ক্ষেত্রে নয়, সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ পরিবেশন করার যে প্রতিযোগিতা সেটি করতে গিয়ে অনেক সময় ভুল সংবাদ পরিবেশিত হয়,-

অনেক সময় অসত্য সংবাদ পরিবেশিত হয়। একই সাথে আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময়ে কিছু অনলাইন পোর্টাল উদ্দেশ্য-

প্রণোদিতভাবে গুজব-সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হয়। অনেকের চরিত্র হনন এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার কাজে লিপ্ত হয়, বলেন তিনি।

এসব বিষয়গুলো মাথায় রেখেই তদন্ত করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা এগুলো করেছেন তাদের ব্যাপারে সেই ধরনের রিপোর্টই এসেছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আমরা রেজিস্ট্রেশনের কাজ করছি।

ড. মাহমুদ আরও বলেন, ওয়েবসাইটে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠিত অনলাইনের নাম হয়তো দেখা যাবে না, তাদের ব্যাপারে রিপোর্ট নেগেটিভ তা নয় কিন্তু।

এটি চলমান প্রক্রিয়া, যেহেতু তাদের ব্যাপারে আমরা এখনও রিপোর্ট পাইনি সেজন্য তাদের নামগুলো হয়তো আজকে আপলোড হবে না।

প্রতিষ্ঠিত অনলাইনগুলোর ব্যাপারে রিপোর্ট এলে তারা সবাই রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। এজন্য কারো কারো নাম বাদ পড়লে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নাই।

কারণ, সাড়ে তিন হাজারের মধ্যে মাত্র ৫০টির আজকে নাম আপলোড হবে। আরো অনেকগুলো ধীরে ধীরে আপলোড হবে, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এগুলো করতে কয়েক মাস সময় লাগবে।

বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেনি দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো বিবেচনা, কোনো সুপারিশ কাজ করেনি।

সবাই চাইলে নেগেটিভ নামগুলো প্রকাশ করা হবে। যাদের নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বন্ধ করাও একটা ব্যবস্থা, তাদের বন্ধ করাটাও শুরু হবে।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

প্রথমে ৫০টি অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:২৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২০

স্টাফ রি‌পোর্টারঃ গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে পজেটিভ পাওয়া দেশের ৫০টি অনলাইন গণমাধ্যমকে প্রথমে নিবন্ধন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, আমরা আজকে রাতে সেগুলোর তালিকা ওয়েবসাইটে আপলোড করব। এসব গণমাধ্যম ইদের পর ফি জমা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গোয়েন্দা রিপোর্ট না পাওয়ায় প্রথম দফায় প্রতিষ্ঠিত অনলাইনগুলোর নাম না থাকতে পারে। তারাও পরে নিবন্ধন পাবে।

আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলাম যে, অনলাইনগুলোর রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে। রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার জন্য আমরা দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে দিয়ে সবগুলো অনলাইনের তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছিলাম।

তারা অনেকগুলো অনলাইনের ব্যাপারে রিপোর্ট দিয়েছে আমাদের কাছে। আমরা বলেছিলাম ঈদের  আগে অনলাইনগুলো রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারে ঘোষণা দেব।

হাছান মাহমুদ বলেন, অনেক অনলাইনের ব্যাপারে নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে, যাদের ব্যাপারে নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে তাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, আজকে অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে যখন দেশ জিজিটাল হয়েছে, তখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর-

সংখ্যা সাড়ে ১০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। তখন মানুষ ব্যাপকভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন পত্রিকাগুলো পড়ে।

কিন্তু প্রায়শ দেখতে পাই, কারো কারো, সবার ক্ষেত্রে নয়, সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ পরিবেশন করার যে প্রতিযোগিতা সেটি করতে গিয়ে অনেক সময় ভুল সংবাদ পরিবেশিত হয়,-

অনেক সময় অসত্য সংবাদ পরিবেশিত হয়। একই সাথে আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময়ে কিছু অনলাইন পোর্টাল উদ্দেশ্য-

প্রণোদিতভাবে গুজব-সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হয়। অনেকের চরিত্র হনন এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার কাজে লিপ্ত হয়, বলেন তিনি।

এসব বিষয়গুলো মাথায় রেখেই তদন্ত করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা এগুলো করেছেন তাদের ব্যাপারে সেই ধরনের রিপোর্টই এসেছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আমরা রেজিস্ট্রেশনের কাজ করছি।

ড. মাহমুদ আরও বলেন, ওয়েবসাইটে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠিত অনলাইনের নাম হয়তো দেখা যাবে না, তাদের ব্যাপারে রিপোর্ট নেগেটিভ তা নয় কিন্তু।

এটি চলমান প্রক্রিয়া, যেহেতু তাদের ব্যাপারে আমরা এখনও রিপোর্ট পাইনি সেজন্য তাদের নামগুলো হয়তো আজকে আপলোড হবে না।

প্রতিষ্ঠিত অনলাইনগুলোর ব্যাপারে রিপোর্ট এলে তারা সবাই রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। এজন্য কারো কারো নাম বাদ পড়লে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নাই।

কারণ, সাড়ে তিন হাজারের মধ্যে মাত্র ৫০টির আজকে নাম আপলোড হবে। আরো অনেকগুলো ধীরে ধীরে আপলোড হবে, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এগুলো করতে কয়েক মাস সময় লাগবে।

বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেনি দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো বিবেচনা, কোনো সুপারিশ কাজ করেনি।

সবাই চাইলে নেগেটিভ নামগুলো প্রকাশ করা হবে। যাদের নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বন্ধ করাও একটা ব্যবস্থা, তাদের বন্ধ করাটাও শুরু হবে।