ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

করোনার মাঝেও ভেলকি দেখালো চীনা অর্থনীতি

চীনের অর্থনীতি তিন দশমিক দুই শতাংশ বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  করোনার লকডাউনের ধাক্কা গিয়ে লেগেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে আর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোদস্তুর সচল হবে তার কোনো ঠিক নেই।

জিডিপি প্রবৃদ্ধি দূরে, দেশগুলো তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখতেই হিমশিম খাচ্ছে। আর সেখানে ভেলকি দেখালো চীন।

ডিসেম্বরের শেষ দিকে দেশটিতে প্রথম করোনার সংক্রমণ শুরু। এরপর হুবেইসহ বিভিন্ন প্রদেশে কড়া লকডাউন আরোপ করে দেশটির সরকার।

ব্যবসা-বাণিজ্য, কারখানাসহ বন্ধ হয়ে যায় সমস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এ কারণে জানুয়ারি থেকে মার্চ এই তিন মাসে জিডিপি ছয় দশমিক আট শতাংশ কমে গিয়েছিল, যা ১৯৬০-এর দশকের পর সর্বনিম্ন।

মার্চ থেকে চীনে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে শুরু করে। এপ্রিলে তুলে নেওয়া হয় লকডাউন, খুলে দেওয়া হয় শিল্প কারখানাগুলো।

পরিসংখ্যান বলছে, এর ফলে শেষ প্রান্তিক, অর্থাৎ, জুন পর্যন্ত তিন মাসে চীনের অর্থনীতি তিন দশমিক দুই শতাংশ বেড়েছে।

জেপি মর্গান অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের কর্মকর্তা মার্সেলা চৌ এক প্রতিবেদনে বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই মনে করছেন তারা।

অর্থনীতি যে বছরের প্রথমার্ধ থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেটি উল্লেখ করেছে দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোও। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতো দ্রুত কী করে তা সম্ভব হয়েছে?

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অন্য দেশগুলোর তুলনায় চীন ধাক্কাটি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারবে। কেননা করোনা ঠেকাতে তারা অভুতপূর্ব তড়িৎ ব্যবস্থা নিয়েছিল।

অন্যদের তুলনায় তাই সংক্রমণও কাটিয়ে ওঠতে পেরেছে দ্রুত। বড় আকারের শিল্প থেকে শুরু করে অন্য খাতগুলোও এখন স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরেছে।

তবে সমস্যার বিষয় হলো চাকরি হারানোর শঙ্কায় মানুষ আর আগের মতো হাত খুলে কেনাকাটা করছেন না। আবার সিনেমা, পর্যটনসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে এখনও কড়াকড়ি রয়েছে।

তারপরও চীন যা দেখিয়েছে তা গোটা বিশ্বের বাঘা বাঘা সব অর্থনীতির জন্যই ইর্ষণীয়। পিএনসি ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এর বিল এডামস মনে করেন,-

মহামারি এখন বিজয়ী আর পরাজিত নির্ধারণ করে দিচ্ছে। আর চীনের জয়ী হওয়ার পেছনে অবদান রাখছে তার শিল্প উৎপাদন খাত। সূত্র: ডিডাব্লিউ, টাইম।

 

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

করোনার মাঝেও ভেলকি দেখালো চীনা অর্থনীতি

আপডেট সময় ০৫:২৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  করোনার লকডাউনের ধাক্কা গিয়ে লেগেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে আর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোদস্তুর সচল হবে তার কোনো ঠিক নেই।

জিডিপি প্রবৃদ্ধি দূরে, দেশগুলো তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখতেই হিমশিম খাচ্ছে। আর সেখানে ভেলকি দেখালো চীন।

ডিসেম্বরের শেষ দিকে দেশটিতে প্রথম করোনার সংক্রমণ শুরু। এরপর হুবেইসহ বিভিন্ন প্রদেশে কড়া লকডাউন আরোপ করে দেশটির সরকার।

ব্যবসা-বাণিজ্য, কারখানাসহ বন্ধ হয়ে যায় সমস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এ কারণে জানুয়ারি থেকে মার্চ এই তিন মাসে জিডিপি ছয় দশমিক আট শতাংশ কমে গিয়েছিল, যা ১৯৬০-এর দশকের পর সর্বনিম্ন।

মার্চ থেকে চীনে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে শুরু করে। এপ্রিলে তুলে নেওয়া হয় লকডাউন, খুলে দেওয়া হয় শিল্প কারখানাগুলো।

পরিসংখ্যান বলছে, এর ফলে শেষ প্রান্তিক, অর্থাৎ, জুন পর্যন্ত তিন মাসে চীনের অর্থনীতি তিন দশমিক দুই শতাংশ বেড়েছে।

জেপি মর্গান অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের কর্মকর্তা মার্সেলা চৌ এক প্রতিবেদনে বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই মনে করছেন তারা।

অর্থনীতি যে বছরের প্রথমার্ধ থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেটি উল্লেখ করেছে দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোও। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতো দ্রুত কী করে তা সম্ভব হয়েছে?

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অন্য দেশগুলোর তুলনায় চীন ধাক্কাটি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারবে। কেননা করোনা ঠেকাতে তারা অভুতপূর্ব তড়িৎ ব্যবস্থা নিয়েছিল।

অন্যদের তুলনায় তাই সংক্রমণও কাটিয়ে ওঠতে পেরেছে দ্রুত। বড় আকারের শিল্প থেকে শুরু করে অন্য খাতগুলোও এখন স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরেছে।

তবে সমস্যার বিষয় হলো চাকরি হারানোর শঙ্কায় মানুষ আর আগের মতো হাত খুলে কেনাকাটা করছেন না। আবার সিনেমা, পর্যটনসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে এখনও কড়াকড়ি রয়েছে।

তারপরও চীন যা দেখিয়েছে তা গোটা বিশ্বের বাঘা বাঘা সব অর্থনীতির জন্যই ইর্ষণীয়। পিএনসি ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এর বিল এডামস মনে করেন,-

মহামারি এখন বিজয়ী আর পরাজিত নির্ধারণ করে দিচ্ছে। আর চীনের জয়ী হওয়ার পেছনে অবদান রাখছে তার শিল্প উৎপাদন খাত। সূত্র: ডিডাব্লিউ, টাইম।