ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

বিল জলাশয়ে পানি বাড়ায় মাছ ধরার খলসান বিক্রির ধুম

 ধামুইরহাট  (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃবর্ষাকাল মানেই খাল বিলে থৈ থৈ পানি। টানা বৃষ্টিপাতে নদী নালা সহ খাল বিল গুলো ফিরে পায় নতুন এক টইটুম্বুর যৌবন। আর এ সময় পানিতে মাছের ছুটোছুটিকে আটকে দেয় নানা ফাঁদ দিয়ে ।

ঠিক তেমনি নওগাঁর ধামইরহাটে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে নদীতে বাড়ছে পানির গতি সাথে নিচু এলাকার তিন ফসলি জমি গুলো পানিতে তলিয়ে থাকায় বাড়ছে মাছ শিকারীদের আনাগোনা।
রবিবার উপজেলার সর্ববৃহৎ সাপ্তাহিক হাটে দুর দুরান্ত থেকে বাঁশ দিয়ে হাতের তৈরী খৈলসান (বৃত্তি), ভাইড় (চোকা) পলই সহ কারেন্ট জাল বেচা কেনার চলছিল ধুম।

দেশীয় মাছের স্বাদ আর মহামারীতে বাড়িতে বসে অবসর সময় কাটাতে গ্রামের খাল, বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ শীকারে ব্যস্ত সময় পার করছেন সকল শ্রেনী ও পেশার মানুষেরা। সেই সাথে ওইসব মাছ ধরার সরঞ্জাম বিক্রির বাড়ছে ধুম। আর ওসকল ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারীগর ও তাদের পরিবার। বাঁশ কেনা, বাঁশ কাটা থেকে শুরু করে শলাকা তৈরী ও ফাঁদ বোনাতে দিনের শুরু থেকে সন্ধা অবদি কেটে যাচ্ছেন তাদের সময়।
এবিষয়ে খৈলশুন ও ভাঁইড় কারীগর মাহাবুব আলম জানান, একটি ভালো জাতের বাঁশ থেকে কমপক্ষে ২-৩ টি খৈলশুন বানানো যায়। আর প্রতিটি খৈলশুনের দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ও ভাঁইড় ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা মুল্যে বিক্রয় করছেন তিনি। চারিদিক পােিনতে থৈ থৈ করায় এই সময়ে তাকে খুব ব্যস্থ সময় পার করতে হচ্ছে তবে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে যথেষ্ট ভাবে সহযোগীতা করেন এসব তৈরীতে। এবং বর্তমানে তার সংসার ও ভালো ভাবে চলছেন ওসব তৈরীর টাকায়।

এবিষয়ে একজন ক্রেতার সাথে কথা বললে তিনি জানান, বর্ষাকালে এসব ফাঁদের দাম একটু বেশি সে কারণে শখের বসে মাছ শিকারের জন্য খৈলশুন কিনতে আসলে তাকে অনেক বেশি মুল্যে কিনতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে হাট কর্তপক্ষদের সাথে কথা বললে তারা জানান, বছরের এই সময়গুলোতে এসকল সরঞ্জামগুলোর দাম একটু বেশিই থাকে। তবে যেভাবে বৃষ্টিপাত বাড়ছে তাতে করে আরো এসবের চাহিদা বাড়তে পারেন বলে মনে করছেন তারা।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

বিল জলাশয়ে পানি বাড়ায় মাছ ধরার খলসান বিক্রির ধুম

আপডেট সময় ০৫:২৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০

 ধামুইরহাট  (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃবর্ষাকাল মানেই খাল বিলে থৈ থৈ পানি। টানা বৃষ্টিপাতে নদী নালা সহ খাল বিল গুলো ফিরে পায় নতুন এক টইটুম্বুর যৌবন। আর এ সময় পানিতে মাছের ছুটোছুটিকে আটকে দেয় নানা ফাঁদ দিয়ে ।

ঠিক তেমনি নওগাঁর ধামইরহাটে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে নদীতে বাড়ছে পানির গতি সাথে নিচু এলাকার তিন ফসলি জমি গুলো পানিতে তলিয়ে থাকায় বাড়ছে মাছ শিকারীদের আনাগোনা।
রবিবার উপজেলার সর্ববৃহৎ সাপ্তাহিক হাটে দুর দুরান্ত থেকে বাঁশ দিয়ে হাতের তৈরী খৈলসান (বৃত্তি), ভাইড় (চোকা) পলই সহ কারেন্ট জাল বেচা কেনার চলছিল ধুম।

দেশীয় মাছের স্বাদ আর মহামারীতে বাড়িতে বসে অবসর সময় কাটাতে গ্রামের খাল, বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ শীকারে ব্যস্ত সময় পার করছেন সকল শ্রেনী ও পেশার মানুষেরা। সেই সাথে ওইসব মাছ ধরার সরঞ্জাম বিক্রির বাড়ছে ধুম। আর ওসকল ফাঁদ তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারীগর ও তাদের পরিবার। বাঁশ কেনা, বাঁশ কাটা থেকে শুরু করে শলাকা তৈরী ও ফাঁদ বোনাতে দিনের শুরু থেকে সন্ধা অবদি কেটে যাচ্ছেন তাদের সময়।
এবিষয়ে খৈলশুন ও ভাঁইড় কারীগর মাহাবুব আলম জানান, একটি ভালো জাতের বাঁশ থেকে কমপক্ষে ২-৩ টি খৈলশুন বানানো যায়। আর প্রতিটি খৈলশুনের দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ও ভাঁইড় ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা মুল্যে বিক্রয় করছেন তিনি। চারিদিক পােিনতে থৈ থৈ করায় এই সময়ে তাকে খুব ব্যস্থ সময় পার করতে হচ্ছে তবে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে যথেষ্ট ভাবে সহযোগীতা করেন এসব তৈরীতে। এবং বর্তমানে তার সংসার ও ভালো ভাবে চলছেন ওসব তৈরীর টাকায়।

এবিষয়ে একজন ক্রেতার সাথে কথা বললে তিনি জানান, বর্ষাকালে এসব ফাঁদের দাম একটু বেশি সে কারণে শখের বসে মাছ শিকারের জন্য খৈলশুন কিনতে আসলে তাকে অনেক বেশি মুল্যে কিনতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে হাট কর্তপক্ষদের সাথে কথা বললে তারা জানান, বছরের এই সময়গুলোতে এসকল সরঞ্জামগুলোর দাম একটু বেশিই থাকে। তবে যেভাবে বৃষ্টিপাত বাড়ছে তাতে করে আরো এসবের চাহিদা বাড়তে পারেন বলে মনে করছেন তারা।