ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

যে ৬ শর্ত মানলে তোলা যাবে লকডাউন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, কিছু দেশে নতুন সংক্রমণ ও মৃৃত্যু কমছে। কিন্তু অন্য দেশগুলোয় এ সংখ্যা বাড়ছে। তাই এখনই লকডাউন শিথিল করা যাবে না।

লকডাউন তুললে খারাপ পরিণতি ভোগ করতে হবে। এছাড়া হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্বের নিয়ম-কানুন মেনে চলা শিথিল করা যাবে না।

তেদরোস আধানোম বলেন, কিছু দেশ এখন তথাকথিত লকডাউন ও ঘরে থাকার নির্দেশ শিথিল করতে শুরু করেছে। কিন্তু পদক্ষেপগুলো (রোগীর সন্ধান, পৃথকীকরণ, পরীক্ষা ও সব রোগীর চিকিৎসা) শিথিল করা যাবে না।

লকডাউন তুললে মহামারী আরও ভয়াবহরূপে ফিরে আসতে পারে। আমরা এখনও মহামারীটির প্রথম ধাপে রয়েছি। আমাদের সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।
তিনি বলেন, সুরক্ষিত থাকার খুব সাধারণ একটি কৌশলই এখন সেরা কৌশল। সেটা হল, হাত পরিষ্কার করা। হাত ধোয়ার এ অভ্যাস জীবন-মৃত্যুর পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

করোনা হুমকি মোকাবেলায় পুরো বিশ্বের একজোট হয়ে লড়াই করার এটাই সুযোগ। শুধু তা-ই নয়, এ পরিস্থিতি সবার জন্য অভিন্ন এক ভবিষ্যতেরও হাতছানি দিচ্ছে, যেখানে সব মানুষই সর্বোচ্চ মানদণ্ডের স্বাস্থ্যসেবা পাবে।

এ ভাইরাস আমাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন থাকবে এবং একে পরাজিত করতে আমাদের একজোট হয়ে উপকরণ তৈরি ও বণ্টন করতে হবে।

লকডাউন প্রত্যাহার বা শিথিল করার আগে ছয়টি শর্ত পূরণের তাগিদ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেগুলো হল-১. রোগের সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা।

২. দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ প্রত্যেক রোগীকে শনাক্ত, পরীক্ষা, আইসোলেশন, চিকিৎসা এবং সংস্পর্শে আসা প্রত্যেককে শনাক্ত করতে সক্ষম।

৩. হাসপাতাল, নার্সিংহোম, সেবাকেন্দ্রগুলোর মতো নাজুক স্থানগুলোয় ঝুঁকি নিম্নতম পর্যায়ে নামিয়ে আনা। ৪. স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত ও অন্যসব দরকারি স্থানে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা।

৫. বাইরে থেকে আসা নতুন রোগীদের সামলানো। ৬. সমাজের বাসিন্দারা পুরোপুরি সচেতন, সতর্ক ও নতুন জীবনযাপনের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ।

 

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

যে ৬ শর্ত মানলে তোলা যাবে লকডাউন

আপডেট সময় ১২:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, কিছু দেশে নতুন সংক্রমণ ও মৃৃত্যু কমছে। কিন্তু অন্য দেশগুলোয় এ সংখ্যা বাড়ছে। তাই এখনই লকডাউন শিথিল করা যাবে না।

লকডাউন তুললে খারাপ পরিণতি ভোগ করতে হবে। এছাড়া হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্বের নিয়ম-কানুন মেনে চলা শিথিল করা যাবে না।

তেদরোস আধানোম বলেন, কিছু দেশ এখন তথাকথিত লকডাউন ও ঘরে থাকার নির্দেশ শিথিল করতে শুরু করেছে। কিন্তু পদক্ষেপগুলো (রোগীর সন্ধান, পৃথকীকরণ, পরীক্ষা ও সব রোগীর চিকিৎসা) শিথিল করা যাবে না।

লকডাউন তুললে মহামারী আরও ভয়াবহরূপে ফিরে আসতে পারে। আমরা এখনও মহামারীটির প্রথম ধাপে রয়েছি। আমাদের সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।
তিনি বলেন, সুরক্ষিত থাকার খুব সাধারণ একটি কৌশলই এখন সেরা কৌশল। সেটা হল, হাত পরিষ্কার করা। হাত ধোয়ার এ অভ্যাস জীবন-মৃত্যুর পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

করোনা হুমকি মোকাবেলায় পুরো বিশ্বের একজোট হয়ে লড়াই করার এটাই সুযোগ। শুধু তা-ই নয়, এ পরিস্থিতি সবার জন্য অভিন্ন এক ভবিষ্যতেরও হাতছানি দিচ্ছে, যেখানে সব মানুষই সর্বোচ্চ মানদণ্ডের স্বাস্থ্যসেবা পাবে।

এ ভাইরাস আমাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন থাকবে এবং একে পরাজিত করতে আমাদের একজোট হয়ে উপকরণ তৈরি ও বণ্টন করতে হবে।

লকডাউন প্রত্যাহার বা শিথিল করার আগে ছয়টি শর্ত পূরণের তাগিদ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেগুলো হল-১. রোগের সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা।

২. দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ প্রত্যেক রোগীকে শনাক্ত, পরীক্ষা, আইসোলেশন, চিকিৎসা এবং সংস্পর্শে আসা প্রত্যেককে শনাক্ত করতে সক্ষম।

৩. হাসপাতাল, নার্সিংহোম, সেবাকেন্দ্রগুলোর মতো নাজুক স্থানগুলোয় ঝুঁকি নিম্নতম পর্যায়ে নামিয়ে আনা। ৪. স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত ও অন্যসব দরকারি স্থানে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা।

৫. বাইরে থেকে আসা নতুন রোগীদের সামলানো। ৬. সমাজের বাসিন্দারা পুরোপুরি সচেতন, সতর্ক ও নতুন জীবনযাপনের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ।