ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

ঋণ পেতে আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের ২৮০০ আইনজীবী

আইন-আদালত ডেস্কঃ   সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য সংখ্যা ১০ হাজার। এদের মধ্যে দুই হাজার আটশোর মতো সদস্য ঋণের জন্য আবেদন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ তথ্য জানান সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে নিজেদের সদস্যদের ঋণ দেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। ১৫ এপ্রিল এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আবেদনের সমসয়সীমা ছিল ২৫ এপ্রিল।

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, দুই হাজার আটশোর অধিক আইনজীবী আবেদন করেছেন। ঋণ দেয়ার জন্য এখন আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করব। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। আমাদের কমিটির পক্ষ থেকে প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তারপর প্রয়োজনীয়তা অনুসারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে সরকারি আদেশের সঙ্গে মিল রেখে আদালত অঙ্গনও বন্ধ রয়েছে। কেবল জরুরি প্রয়োজনে প্রত্যেক জেলায় একটি করে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট খোলা রয়েছে। এ অবস্থায় সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল স্বল্প পরিসরে কোর্ট চালু করতে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করেন। এছাড়া একাধিক সমিতিসহ কয়েকজন আইনজীবী প্রধান বিচারপতি বরাবরে সীমিত পরিসরে কোর্ট খুলে দিতে আবেদন করেন।

এরপর গত ২৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কঠোর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির নিমিত্তে ছুটিকালীন সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে বসবেন। আর হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সব অধিক্ষেত্রের অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

অপর বিজ্ঞপ্তিতে সপ্তাহে দুইদিন জজ কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্তও জানানো হয়।

এ দুই বিজ্ঞপ্তি জারির পর আইনজীবীরা কোর্ট চালু না করতে আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। পাশাপাশি সপ্তাহে দুইদিন জজ কোর্ট খোলার বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। এছাড়া ২৬ এপ্রিল ফুল কোর্ট সভা আহ্বান করা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় সাধারণ ছুটিতে (৫ মে পর্যন্ত) কোর্ট খোলার বিজ্ঞপ্তি স্থগিত থাকবে।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

ঋণ পেতে আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের ২৮০০ আইনজীবী

আপডেট সময় ০৩:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

আইন-আদালত ডেস্কঃ   সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য সংখ্যা ১০ হাজার। এদের মধ্যে দুই হাজার আটশোর মতো সদস্য ঋণের জন্য আবেদন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ তথ্য জানান সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে নিজেদের সদস্যদের ঋণ দেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। ১৫ এপ্রিল এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আবেদনের সমসয়সীমা ছিল ২৫ এপ্রিল।

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, দুই হাজার আটশোর অধিক আইনজীবী আবেদন করেছেন। ঋণ দেয়ার জন্য এখন আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করব। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। আমাদের কমিটির পক্ষ থেকে প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তারপর প্রয়োজনীয়তা অনুসারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে সরকারি আদেশের সঙ্গে মিল রেখে আদালত অঙ্গনও বন্ধ রয়েছে। কেবল জরুরি প্রয়োজনে প্রত্যেক জেলায় একটি করে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট খোলা রয়েছে। এ অবস্থায় সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল স্বল্প পরিসরে কোর্ট চালু করতে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করেন। এছাড়া একাধিক সমিতিসহ কয়েকজন আইনজীবী প্রধান বিচারপতি বরাবরে সীমিত পরিসরে কোর্ট খুলে দিতে আবেদন করেন।

এরপর গত ২৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কঠোর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির নিমিত্তে ছুটিকালীন সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে বসবেন। আর হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সব অধিক্ষেত্রের অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

অপর বিজ্ঞপ্তিতে সপ্তাহে দুইদিন জজ কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্তও জানানো হয়।

এ দুই বিজ্ঞপ্তি জারির পর আইনজীবীরা কোর্ট চালু না করতে আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। পাশাপাশি সপ্তাহে দুইদিন জজ কোর্ট খোলার বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। এছাড়া ২৬ এপ্রিল ফুল কোর্ট সভা আহ্বান করা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় সাধারণ ছুটিতে (৫ মে পর্যন্ত) কোর্ট খোলার বিজ্ঞপ্তি স্থগিত থাকবে।