ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আরিফুল ইসলামকে (১৮) হত্যার দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মঠবাড়িয়া উপজেলার বাঁশবুনিয়া গ্রামের শাহআলম হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার, বড় শৌলা গ্রামের মো. মনির মৃধার ছেলে মো. সোহাগ মৃধা এবং ছোট শৌলা গ্রামের মো. আজিজ মল্লিকের ছেলে মো. শাহীন মল্লিক। রায় ঘোষণার সময় সোহাগ হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন। সোহাগ মৃধা এবং শাহীন মল্লিক পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, মঠবাড়িয়ার বড়শৌলা গ্রামের মো. আনোয়ার মিস্ত্রীর ছেলে আরিফুল ইসলাম ২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। স্বজনরা অনেক খোঁজাখঁজির পর তাকে না পেয়ে ১৭ এপ্রিল মঠবাড়িয়া থানায় একটি জিডি করে। ১৮ এপ্রিল সকালে স্থানীয়রা বড়শৌলা খাল থেকে আরিফুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মরদেহের মাথায়, বুকে, পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই দিন বিকেলে নিহত আরিফের মা মোসা. ফরিদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি এজাহার করেন। এরপর ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ১২ জনকে আসামি করলেও তদন্তে সাজাপ্রাপ্ত ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন।

পরে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ এই রায় দেন। মামলার রায়ে নিহতের মা মোসা. ফরিদা খুশী হলেও ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন কিনা তা জানাননি।

মামলায় রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আকন ও আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৫:১০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আরিফুল ইসলামকে (১৮) হত্যার দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মঠবাড়িয়া উপজেলার বাঁশবুনিয়া গ্রামের শাহআলম হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার, বড় শৌলা গ্রামের মো. মনির মৃধার ছেলে মো. সোহাগ মৃধা এবং ছোট শৌলা গ্রামের মো. আজিজ মল্লিকের ছেলে মো. শাহীন মল্লিক। রায় ঘোষণার সময় সোহাগ হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন। সোহাগ মৃধা এবং শাহীন মল্লিক পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, মঠবাড়িয়ার বড়শৌলা গ্রামের মো. আনোয়ার মিস্ত্রীর ছেলে আরিফুল ইসলাম ২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। স্বজনরা অনেক খোঁজাখঁজির পর তাকে না পেয়ে ১৭ এপ্রিল মঠবাড়িয়া থানায় একটি জিডি করে। ১৮ এপ্রিল সকালে স্থানীয়রা বড়শৌলা খাল থেকে আরিফুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মরদেহের মাথায়, বুকে, পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই দিন বিকেলে নিহত আরিফের মা মোসা. ফরিদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি এজাহার করেন। এরপর ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ১২ জনকে আসামি করলেও তদন্তে সাজাপ্রাপ্ত ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন।

পরে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ এই রায় দেন। মামলার রায়ে নিহতের মা মোসা. ফরিদা খুশী হলেও ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন কিনা তা জানাননি।

মামলায় রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আকন ও আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।