ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

গাইবান্ধায় মা-মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগে ৩ জনের যাবজ্জীবন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি  :গাইবান্ধায় মোবাইল ফোনে ডেকে এনে গুপ্তধন পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দিয়ে মা ও মেয়েকে গণ ধর্ষণের মামলায় গতকাল মঙ্গলবার তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গাইবান্ধার নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো.আব্দুর রহমান এই রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে পাঁচ আসামিরা উপস্থিত ছিলেন।সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন, একই গ্রামের বদিউজ্জামান মিয়ার ছেলে এমদাদুল হক ও পার্শ্ববর্তী শ্যামপুর পার্বর্তীপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে খাজা মিয়া।

এছাড়া দুই আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে। তারা হলো- একই উপজেলার সাতগাছি হাতিয়াদহ গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আজিজুল ইসলাম ও সুন্দাইল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আসাদুল ইসলাম।
মামলার সুত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১২মে আসামিরা জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার বাসিন্দা মা ও মেয়েকে ফোন করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডেকে আনেন। তারা জ্বিনের বাদশাহ পরিচয়ে মা ও মেয়েকে গুপ্তধন পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখান।

লোভে পড়ে ভুক্তভোগী মা ও মেয়ে ওই রাতেই গোবিন্দগঞ্জে চলে আসে। পরে প্রতারক চক্রটি মা ও মেয়েকে উপজেলার আমনাথপুর বালুয়ার নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পরদিন ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ সেসময় ৫ জনকে গ্রেফতার করে।

মামলার দীর্ঘদিন সাক্ষ্য গ্রহণের পর মঙ্গলবার বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।এব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. ফারুক আহমেদ প্রিন্স জানান, ২০১৮ সালের ১২মে মা ও মেয়েকে গুপ্তধন দেয়ার কথা বলে জামালপুর জেলা থেকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডেকে আনে আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করেন তারা।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

গাইবান্ধায় মা-মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগে ৩ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৪:১৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

গাইবান্ধা প্রতিনিধি  :গাইবান্ধায় মোবাইল ফোনে ডেকে এনে গুপ্তধন পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দিয়ে মা ও মেয়েকে গণ ধর্ষণের মামলায় গতকাল মঙ্গলবার তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গাইবান্ধার নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো.আব্দুর রহমান এই রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে পাঁচ আসামিরা উপস্থিত ছিলেন।সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন, একই গ্রামের বদিউজ্জামান মিয়ার ছেলে এমদাদুল হক ও পার্শ্ববর্তী শ্যামপুর পার্বর্তীপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে খাজা মিয়া।

এছাড়া দুই আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে। তারা হলো- একই উপজেলার সাতগাছি হাতিয়াদহ গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আজিজুল ইসলাম ও সুন্দাইল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আসাদুল ইসলাম।
মামলার সুত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১২মে আসামিরা জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার বাসিন্দা মা ও মেয়েকে ফোন করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডেকে আনেন। তারা জ্বিনের বাদশাহ পরিচয়ে মা ও মেয়েকে গুপ্তধন পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখান।

লোভে পড়ে ভুক্তভোগী মা ও মেয়ে ওই রাতেই গোবিন্দগঞ্জে চলে আসে। পরে প্রতারক চক্রটি মা ও মেয়েকে উপজেলার আমনাথপুর বালুয়ার নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পরদিন ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ সেসময় ৫ জনকে গ্রেফতার করে।

মামলার দীর্ঘদিন সাক্ষ্য গ্রহণের পর মঙ্গলবার বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।এব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. ফারুক আহমেদ প্রিন্স জানান, ২০১৮ সালের ১২মে মা ও মেয়েকে গুপ্তধন দেয়ার কথা বলে জামালপুর জেলা থেকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডেকে আনে আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করেন তারা।