ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

করোনা পরবর্তী ক্লান্তি দূর করতে যা যা খাবেন?

করোনা নেগেটিভ হওয়ার পরেও এর ধকল শরীরে অনেকদিন থেকে যায়। বেশিরভাগ মানুষই ক্লান্তি বোধ করেন এই সময়টাতে। এতে করে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতা দেখা দেয়। কারো কারো ক্ষেত্রে এই জটিলতা দীর্ঘদিন থাকে। এজন্য করোনা পরবর্তী সময়টাতে খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে বিশেষ যত্নবান হতে হবে।

করোনা থেকে সেরে ওঠার পর এজন্য আমাদের খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে বিশেষ সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। করোনার পর যেসব খাবার পুনরায় শক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে চলুন জেনে নেওয়া যাক।

পালং শাক:

পালং শাক লো ক্যালোরি সম্পন্ন একটি খাবার যা শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। পালং শাকে ভিটামিন সি ও আয়রন রয়েছে এবং পালং শাক অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। এই পালং শাক প্রদাহ দূর করে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। পালং শাক স্যুপ হিসেবে বা সবজি হিসেবে আপনি খেতে পারেন।

শুঁটি জাতীয় খাবার:

মটরশুটি, মসুর ডাল, ছোলা এবং সয়াবিন শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা শরীরে ক্লান্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে। রক্তের মাত্রার ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে এই খাবারগুলো। এগুলো স্যুপ হিসিবে খাওয়া যেতে পারে, ময়দা দিয়ে পরটা বানানো যেতে পারে অথবা রান্না করে বা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যেতে পারে।

বীজ:

করোনা পরবর্তী সুস্থতার জন্য সাহায্য করে কুমড়া,চিয়ার বীজ ইত্যাদি। এগুলো ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, ফাইবার এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের গুরুত্বপূর্ণ উৎস যা বিপাক প্রক্রিয়া ভালো রাখে। বীজ খাওয়া কেবল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে না বরং অলসতা দূর দরে সারাদিনের জন্য শরীরে শক্তি সঞ্চয় করতে সাহায্য করে। আপনার পছন্দের পানীয়, প্রোটিন শেক এমনকি সবজি রান্নার সময়েও এই বীজ খেতে পারেন।

ব্রকলি:

ব্রকলিতে আয়রন,ভিটামিন সি,ফাইবার,প্রোটিন,ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। ব্রকলি অ্যানিমিয়া সারাতে, শরীরে শক্তি বাড়াতে, হাড় শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। গ্রিল করে, স্যুপ হিসেবে বা তরকারি হিসেবে ব্রকলি খাওয়া যেতে পারে।

ডিম:

প্রোটিনের অন্যতম উৎস হলো ডিম। ভিটামিন ডি, ফোলেট, অ্যামিনো এসিড,ভিটামিন বি-১২,আয়ন,মিনারেল রয়েছে ডিমে। করোনা পরবর্তী ক্লান্তি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ডিম। সিদ্ধ থেকে রান্না অনেকভাবে ডিম খাওয়া যায়।

করোনার পরে সুস্থতার জন্য খাবার তালিকায় উপরের উল্লেখিত খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করুন। এতে করে দেখা যাবে খুব দ্রুত শরীরে সুস্থতা আসবে।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

করোনা পরবর্তী ক্লান্তি দূর করতে যা যা খাবেন?

আপডেট সময় ১২:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অগাস্ট ২০২১

করোনা নেগেটিভ হওয়ার পরেও এর ধকল শরীরে অনেকদিন থেকে যায়। বেশিরভাগ মানুষই ক্লান্তি বোধ করেন এই সময়টাতে। এতে করে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতা দেখা দেয়। কারো কারো ক্ষেত্রে এই জটিলতা দীর্ঘদিন থাকে। এজন্য করোনা পরবর্তী সময়টাতে খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে বিশেষ যত্নবান হতে হবে।

করোনা থেকে সেরে ওঠার পর এজন্য আমাদের খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে বিশেষ সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। করোনার পর যেসব খাবার পুনরায় শক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে চলুন জেনে নেওয়া যাক।

পালং শাক:

পালং শাক লো ক্যালোরি সম্পন্ন একটি খাবার যা শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। পালং শাকে ভিটামিন সি ও আয়রন রয়েছে এবং পালং শাক অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। এই পালং শাক প্রদাহ দূর করে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। পালং শাক স্যুপ হিসেবে বা সবজি হিসেবে আপনি খেতে পারেন।

শুঁটি জাতীয় খাবার:

মটরশুটি, মসুর ডাল, ছোলা এবং সয়াবিন শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা শরীরে ক্লান্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে। রক্তের মাত্রার ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে এই খাবারগুলো। এগুলো স্যুপ হিসিবে খাওয়া যেতে পারে, ময়দা দিয়ে পরটা বানানো যেতে পারে অথবা রান্না করে বা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যেতে পারে।

বীজ:

করোনা পরবর্তী সুস্থতার জন্য সাহায্য করে কুমড়া,চিয়ার বীজ ইত্যাদি। এগুলো ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, ফাইবার এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের গুরুত্বপূর্ণ উৎস যা বিপাক প্রক্রিয়া ভালো রাখে। বীজ খাওয়া কেবল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে না বরং অলসতা দূর দরে সারাদিনের জন্য শরীরে শক্তি সঞ্চয় করতে সাহায্য করে। আপনার পছন্দের পানীয়, প্রোটিন শেক এমনকি সবজি রান্নার সময়েও এই বীজ খেতে পারেন।

ব্রকলি:

ব্রকলিতে আয়রন,ভিটামিন সি,ফাইবার,প্রোটিন,ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। ব্রকলি অ্যানিমিয়া সারাতে, শরীরে শক্তি বাড়াতে, হাড় শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। গ্রিল করে, স্যুপ হিসেবে বা তরকারি হিসেবে ব্রকলি খাওয়া যেতে পারে।

ডিম:

প্রোটিনের অন্যতম উৎস হলো ডিম। ভিটামিন ডি, ফোলেট, অ্যামিনো এসিড,ভিটামিন বি-১২,আয়ন,মিনারেল রয়েছে ডিমে। করোনা পরবর্তী ক্লান্তি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ডিম। সিদ্ধ থেকে রান্না অনেকভাবে ডিম খাওয়া যায়।

করোনার পরে সুস্থতার জন্য খাবার তালিকায় উপরের উল্লেখিত খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করুন। এতে করে দেখা যাবে খুব দ্রুত শরীরে সুস্থতা আসবে।