ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

মেহেরপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী ও সতিনের মৃত্যুদণ্ড

মেহেরপুর প্রতিনিধি: দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী সাইদুল ইসলাম ও সতিন জমেলা খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন মেহেরপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন।

সাইদুল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার ইচাখালী গ্রামের নবীর উদ্দিনের ছেলে এবং জমেলা খাতুন সাইদুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী। নিহত জরিনা খাতুন সাইদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুন পলাতক রয়েছেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মেহেরপুর সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের সুরনিশা ভিটার মাঠে আলামিন নামে এক ব্যক্তির মসুরির খেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় জরিনা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে একই সালের ৩১ জানুয়ারি জরিনা খাতুন নিখোঁজ হয়। উদ্ধারের পর নিহত জরিনার বোন ফেরদৌসী খাতুন মরদেহটি জরিনার বলে শনাক্ত করেন।

পরে তিনি বাদী হয়ে পাঁচ জনকে আসামি করে মেহেরপুর সদর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১, ৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নম্বর ৭৪/২০১০। জি আর কেস নং ৪৫/২০১০। মামলা দায়েরের পর সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তারা জামিনে ছিলেন।

মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা মেহেরপুর সদর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) হাসান ইমাম মামলার প্রাথমিক তদন্ত শেষে নিহত জরিনার স্বামী সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলাকে আসামি করে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দেন। এতে সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুন দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড  ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত।

মামলায় সরকার পক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ছিলেন কাজী শহিদুল হক ও আসামিপক্ষে ছিলেন নারগিস আরা।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

মেহেরপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী ও সতিনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৭:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

মেহেরপুর প্রতিনিধি: দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী সাইদুল ইসলাম ও সতিন জমেলা খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন মেহেরপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন।

সাইদুল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার ইচাখালী গ্রামের নবীর উদ্দিনের ছেলে এবং জমেলা খাতুন সাইদুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী। নিহত জরিনা খাতুন সাইদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুন পলাতক রয়েছেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মেহেরপুর সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের সুরনিশা ভিটার মাঠে আলামিন নামে এক ব্যক্তির মসুরির খেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় জরিনা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে একই সালের ৩১ জানুয়ারি জরিনা খাতুন নিখোঁজ হয়। উদ্ধারের পর নিহত জরিনার বোন ফেরদৌসী খাতুন মরদেহটি জরিনার বলে শনাক্ত করেন।

পরে তিনি বাদী হয়ে পাঁচ জনকে আসামি করে মেহেরপুর সদর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১, ৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নম্বর ৭৪/২০১০। জি আর কেস নং ৪৫/২০১০। মামলা দায়েরের পর সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তারা জামিনে ছিলেন।

মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা মেহেরপুর সদর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) হাসান ইমাম মামলার প্রাথমিক তদন্ত শেষে নিহত জরিনার স্বামী সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলাকে আসামি করে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দেন। এতে সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুন দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড  ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত।

মামলায় সরকার পক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ছিলেন কাজী শহিদুল হক ও আসামিপক্ষে ছিলেন নারগিস আরা।