ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

৪৬১ গার্মেন্টেসের শ্রমিক পাননি জুনের বেতন

৪৬১ গার্মেন্টেসের শ্রমিক পাননি জুনের বেতন

অর্থনীতি ডেস্কঃ বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যভুক্ত এক হাজার ৯২৬টি চালুকৃত গার্মেন্টসের মধ্যে এক হাজার ৪৬৫টির মালিক তাদের শ্রমিকদের জুন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছেন।

তবে এখনও ৪৬১টি কারখানার শ্রমিকরা বেতন-ভাতা পাননি। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিজিএমই সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজিএমইএ’র তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই পর্যন্ত এক হাজার ৯২৬টি কারখানার মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় রয়েছে ৩৩৩টি।

এর মধ্যে জুন মাসের বেতন-ভাতা দিয়েছে ২৬০টি প্রতিষ্ঠান। গাজীপুরের ৭১৩টি কারখানার মধ্যে বেতন দিয়েছে ৫৭৬টি, সাভার-আশুলিয়ায় ৪১২টির মধ্যে বেতন দিয়েছে ৩২৩টি, নারায়ণগঞ্জে ১৯৮টি পোশাক কারখানার মধ্যে

বেতন দিয়েছে ১৫৭টি, চট্টগ্রামের ২৫২টি কারখানার মধ্যে ১৩৫টি এবং প্রত্যন্ত এলাকার ১৮টি কারখানার মধ্যে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের মালিক তাদের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেছেন।

সবমিলিয়ে জুন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে চালু থাকা ৭৬ শতাংশ অর্থাৎ এক হাজার ৪৬৫টি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তবে এখনও ৪৬১টি অর্থাৎ ২৪ শতাংশ কারখানার মালিক তাদের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেননি।

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওই প্যাকেজ থেকে উৎপাদনের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ পণ্য রফতানি করছে— এমন সচল প্রতিষ্ঠান সুদবিহীন সর্বোচ্চ ২ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিয়ে ঋণ নিতে পারছে।

জানা যায়, তহবিল থেকে ঋণ পেতে বিজিএমইএ’র সদস্য এক হাজার ৩৭০টি এবং বিকেএমইএ’র সদস্য ৫১৯টি কারখানার মালিক আবেদন করেছেন।

বিভিন্ন কারণে বিকেএমইএ’র ৯৯ সদস্যের আবেদন বাতিল হয়েছে। যদিও পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের সিংহভাগ-

অর্থই ঋণ হিসেবে পেয়েছেন পোশাকশিল্পের মালিকরা। ফলে দুই মাস ধরে শ্রমিকদের বড় একটি অংশের মজুরি হচ্ছে প্রণোদনার টাকায়।

তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে চলমান সংকটে শ্রমিক-কর্মচারীদের আরও তিন মাসের বেতন-ভাতা দেয়ার জন্য বিশেষ অর্থ বরাদ্দ চেয়েছেন দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকরা।

নতুন করে বরাদ্দ চেয়ে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে চিঠি দেয় রফতনিমুখী পোশাক মালিকদের বড় দুটি সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

৪৬১ গার্মেন্টেসের শ্রমিক পাননি জুনের বেতন

আপডেট সময় ০৮:১২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০

অর্থনীতি ডেস্কঃ বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যভুক্ত এক হাজার ৯২৬টি চালুকৃত গার্মেন্টসের মধ্যে এক হাজার ৪৬৫টির মালিক তাদের শ্রমিকদের জুন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছেন।

তবে এখনও ৪৬১টি কারখানার শ্রমিকরা বেতন-ভাতা পাননি। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিজিএমই সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজিএমইএ’র তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই পর্যন্ত এক হাজার ৯২৬টি কারখানার মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় রয়েছে ৩৩৩টি।

এর মধ্যে জুন মাসের বেতন-ভাতা দিয়েছে ২৬০টি প্রতিষ্ঠান। গাজীপুরের ৭১৩টি কারখানার মধ্যে বেতন দিয়েছে ৫৭৬টি, সাভার-আশুলিয়ায় ৪১২টির মধ্যে বেতন দিয়েছে ৩২৩টি, নারায়ণগঞ্জে ১৯৮টি পোশাক কারখানার মধ্যে

বেতন দিয়েছে ১৫৭টি, চট্টগ্রামের ২৫২টি কারখানার মধ্যে ১৩৫টি এবং প্রত্যন্ত এলাকার ১৮টি কারখানার মধ্যে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের মালিক তাদের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেছেন।

সবমিলিয়ে জুন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে চালু থাকা ৭৬ শতাংশ অর্থাৎ এক হাজার ৪৬৫টি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তবে এখনও ৪৬১টি অর্থাৎ ২৪ শতাংশ কারখানার মালিক তাদের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেননি।

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওই প্যাকেজ থেকে উৎপাদনের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ পণ্য রফতানি করছে— এমন সচল প্রতিষ্ঠান সুদবিহীন সর্বোচ্চ ২ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিয়ে ঋণ নিতে পারছে।

জানা যায়, তহবিল থেকে ঋণ পেতে বিজিএমইএ’র সদস্য এক হাজার ৩৭০টি এবং বিকেএমইএ’র সদস্য ৫১৯টি কারখানার মালিক আবেদন করেছেন।

বিভিন্ন কারণে বিকেএমইএ’র ৯৯ সদস্যের আবেদন বাতিল হয়েছে। যদিও পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের সিংহভাগ-

অর্থই ঋণ হিসেবে পেয়েছেন পোশাকশিল্পের মালিকরা। ফলে দুই মাস ধরে শ্রমিকদের বড় একটি অংশের মজুরি হচ্ছে প্রণোদনার টাকায়।

তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে চলমান সংকটে শ্রমিক-কর্মচারীদের আরও তিন মাসের বেতন-ভাতা দেয়ার জন্য বিশেষ অর্থ বরাদ্দ চেয়েছেন দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকরা।

নতুন করে বরাদ্দ চেয়ে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে চিঠি দেয় রফতনিমুখী পোশাক মালিকদের বড় দুটি সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।