ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

করোনা পরিস্থিতিতে নওগাঁর সাপাহারে আম বাজারজাত করা নিয়ে হতাশ চাষীরা

সাপাহার প্রতিনিধিঃ আমের রাজধানী খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে গাছগুলোতে আম দোল খেতে দেখা যাচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এবারেও গত বছরের ন্যায় আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে আম বাজারজাত করা নিয়ে হতাসাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন এলাকার আমচাষীরা।

জানা গেছে, প্রতিবছর সাপাহারের আম শুধু মাত্র আমাদের দেশ’ই নয় বরং বিশ্বের বেশ কিছু দেশে রপ্তানি হয়। এছাড়াও এই উপজেলাতে দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে ব্যাপারীগন এসে আমের বাগান ক্রয় করেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা আম ব্যাবসায়ীগন আড়তের মাধ্যমে আম ক্রয় করে দেশ-বিদেশে রপ্তানী করেন।

কিন্তু বর্তমান সময়ে করোনা ভাইরাসের কারনে বিশ্বের সব দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে শুধু তাই নয় নওগাঁ জেলা লকডাউন থাকার ফলে এলাকায় আসতে পারছেননা কোন ব্যাপারী। যার ফলে আমের বাজারজাত করা নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছেন এলাকার আমচাষীগন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৬ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে আমবাগান ছিলো। প্রতি হেক্টর জমিতে আমের ফলন হয়েছিলো ১৫ মেট্রিক টন। যার ফলে লাভবান হয়েছিলো এলাকার আমচাষীরা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়  মোট ৮ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে আমগাছ লাগানো হয়েছে। যাতে করে এ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ১শ’ ৫০ হেক্টর জমি।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন বাগানের আমগাছ গুলোতে ব্যাপক পরিমাণ আম দেখা যাচ্ছে। এই মুহুর্তে আম যাতে ঝড়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রেখে এবং অধিক ফলনের লক্ষ্যে বাগানের গাছ গুলোতে বালাইনাশক স্প্রে করা হচ্ছে।

এ বছরে আম বাগান বৃদ্ধি হলেও গাছ গুলো নতুন হওয়ায় সেগুলো থেকে ফল আশা করছেননা এলাকার আমচাষীরা। যার ফলে গড় উৎপাদন গত বছরের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলার আমচাষীরা জানান, আগামীর সম্ভাবনায় স্বপ্ন নিয়ে বাগান পরিচর্যার করে আম রক্ষার্থে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছরেও আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এলাকার আমচাষীরা।

কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের স্থিতিকাল যদি বেড়ে যায় তাহলে বাজারজাত করা নিয়ে অনেকটাই বিপাকে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন এলাকার অধিকাংশ আমচাষী।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

করোনা পরিস্থিতিতে নওগাঁর সাপাহারে আম বাজারজাত করা নিয়ে হতাশ চাষীরা

আপডেট সময় ০৭:০২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

সাপাহার প্রতিনিধিঃ আমের রাজধানী খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে গাছগুলোতে আম দোল খেতে দেখা যাচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এবারেও গত বছরের ন্যায় আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে আম বাজারজাত করা নিয়ে হতাসাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন এলাকার আমচাষীরা।

জানা গেছে, প্রতিবছর সাপাহারের আম শুধু মাত্র আমাদের দেশ’ই নয় বরং বিশ্বের বেশ কিছু দেশে রপ্তানি হয়। এছাড়াও এই উপজেলাতে দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে ব্যাপারীগন এসে আমের বাগান ক্রয় করেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা আম ব্যাবসায়ীগন আড়তের মাধ্যমে আম ক্রয় করে দেশ-বিদেশে রপ্তানী করেন।

কিন্তু বর্তমান সময়ে করোনা ভাইরাসের কারনে বিশ্বের সব দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে শুধু তাই নয় নওগাঁ জেলা লকডাউন থাকার ফলে এলাকায় আসতে পারছেননা কোন ব্যাপারী। যার ফলে আমের বাজারজাত করা নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছেন এলাকার আমচাষীগন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৬ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে আমবাগান ছিলো। প্রতি হেক্টর জমিতে আমের ফলন হয়েছিলো ১৫ মেট্রিক টন। যার ফলে লাভবান হয়েছিলো এলাকার আমচাষীরা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়  মোট ৮ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে আমগাছ লাগানো হয়েছে। যাতে করে এ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ১শ’ ৫০ হেক্টর জমি।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন বাগানের আমগাছ গুলোতে ব্যাপক পরিমাণ আম দেখা যাচ্ছে। এই মুহুর্তে আম যাতে ঝড়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রেখে এবং অধিক ফলনের লক্ষ্যে বাগানের গাছ গুলোতে বালাইনাশক স্প্রে করা হচ্ছে।

এ বছরে আম বাগান বৃদ্ধি হলেও গাছ গুলো নতুন হওয়ায় সেগুলো থেকে ফল আশা করছেননা এলাকার আমচাষীরা। যার ফলে গড় উৎপাদন গত বছরের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলার আমচাষীরা জানান, আগামীর সম্ভাবনায় স্বপ্ন নিয়ে বাগান পরিচর্যার করে আম রক্ষার্থে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছরেও আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এলাকার আমচাষীরা।

কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের স্থিতিকাল যদি বেড়ে যায় তাহলে বাজারজাত করা নিয়ে অনেকটাই বিপাকে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন এলাকার অধিকাংশ আমচাষী।