ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি একে খন্দকার আর নেই

মহান মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি, সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান, সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার বীরউত্তম মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর-আইএসপিআর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে তার জানাজা ও দাফনের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরে এইচ এম এরশাদের সামরিক শাসনামলে পরিকল্পনামন্ত্রী হন।

এরপর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে পাবনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার।

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য ২০১১ সালে এ কে খন্দকারকে স্বাধীনতা পদক দেয় সরকার। ১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনী থেকে ভারতে যোগ দেন এবং মুজিবনগর সরকারের অধীনে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে প্রশিক্ষণ ও অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন। যুদ্ধের সময় তিনি নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে প্রথম বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (কিলো ফ্লাইট) প্রতিষ্ঠা করেন, যা সীমিত সম্পদ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে।

স্বাধীনতার পরে তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বিমান বাহিনীকে পুনর্গঠিত করেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।

ট্যাগস

মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি একে খন্দকার আর নেই

আপডেট সময় ০৫:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

মহান মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি, সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান, সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার বীরউত্তম মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর-আইএসপিআর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে তার জানাজা ও দাফনের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরে এইচ এম এরশাদের সামরিক শাসনামলে পরিকল্পনামন্ত্রী হন।

এরপর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে পাবনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার।

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য ২০১১ সালে এ কে খন্দকারকে স্বাধীনতা পদক দেয় সরকার। ১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনী থেকে ভারতে যোগ দেন এবং মুজিবনগর সরকারের অধীনে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে প্রশিক্ষণ ও অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন। যুদ্ধের সময় তিনি নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে প্রথম বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (কিলো ফ্লাইট) প্রতিষ্ঠা করেন, যা সীমিত সম্পদ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে।

স্বাধীনতার পরে তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বিমান বাহিনীকে পুনর্গঠিত করেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।