চলতি অর্থবছরে জিডিপিতে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বাংলাদেশ। এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
রোববার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক হয়েছে। বৈঠক শেষ তিনি সংবাদমাধ্যমকে এ কথা জানান।
এসময় তিনি বলেন, গতবছর জিডিপিতে আমাদের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ বছর জিডিপিতে আমাদের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।
আমাদের জিডিপির আকার ৪৫৫ বিলিয়ন ডলার হবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই ৪৫৫ বিলিয়ন ডলারকে আমাদের জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ভাগ দিলেই মাথাপিছু আয় দুই হাজার ৭৮৫ ডলারে উন্নীত হবে। এটা হচ্ছে আমাদের এই বছরের হিসাব। আশা করি, আগামী অর্থবছরে আমাদের জিডিপির আকার অর্ধ ট্রিলিয়নের মাইলফলক স্পর্শ করবে।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সবসময় বিশ্বের অর্থনীতি একদিকে বিশ্লেষণ করে, অন্যদিকে তাদের পর্যবেক্ষণ বা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। আমরা প্রত্যাশা করছি ৭ দশমিক ২ শতাংশ, এর বিপরীতি আইএমএফ বলছে আমাদের ৬ দশমিক ৬ শতাংশ আমরা অর্জন করতে সক্ষম হবে। আমরা অবশ্যই অতীতের মতো আমার বিশ্বাস, আমরা যা বলেছি সেটা অর্জন করতে সক্ষম হবে।
আগামী বছরও আমাদের মাথাপিছু আয় তিন হাজার ৮৯ মার্কিন ডলার হবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সে বছর জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিত ৫ শতাংশ হবে, এটা আমার মোটামুটি হিসাব।
এ সময় তিনি বলেন, অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত কমিটির তিনটি ও ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য ১৬টি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাতটি, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তিনটি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের তিনটি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি, জন নিরাপত্তা বিভাগের একটি এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রস্তাবনা ছিল। কমিটির অনুমোদিত ১৬টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ এক হাজার ৩৮৭ কোটি ৩৩ লাখ ১৭ হাজার ৬৪ টাকা।
মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি হতে ব্যয় হবে ৪৪৯ কোটি ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮১ টাকা এবং দেশীয় ব্যাংক ও বৈদেশিক ঋণ থেকে ৯৩৭ কোটি ৯০ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ টাকা ব্যয় হবে।
নিউজ ভিশন টুডে ডেস্ক : 











