ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মায় প্রতি নিয়ত বাড়ছে পানি, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ছবিঃ সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টারঃ   ফরিদপুর জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি আরও ৮ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে এখন তা বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এর ফলে ফরিদপুর সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের পানিবন্দী গ্রাম ও পরিবারের সংখ্যা বাড়ছে। পানি বাড়তে থাকায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন।

ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ১৩টি গ্রামের এক হাজার ১৫০ পরিবার, ডিক্রিরচর ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের এক হাজার দুইশ পরিবার ও চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ১৬টি গ্রামের তিন হাজার পরিবারসহ মোট ৪১টি গ্রামের পাঁচ হাজার ৩৫০ পরিবার পানিবন্দী হয়ে আছে।

বন্যার পানির তোড়ে ডিক্রিরচর ইউনিয়নের ইট বিছানো সড়কের এক কিলোমিটার অংশ এবং আরেকটি সড়কের ৫০ মিটার অংশ পানির তোড়ে ভেসে গেছে।

পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ইউনিয়নের ২০ একর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। বন্যার কারনে সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

ট্যাগস

পদ্মায় প্রতি নিয়ত বাড়ছে পানি, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

আপডেট সময় ১১:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ অগাস্ট ২০২১

স্টাফ রিপোর্টারঃ   ফরিদপুর জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি আরও ৮ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে এখন তা বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এর ফলে ফরিদপুর সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের পানিবন্দী গ্রাম ও পরিবারের সংখ্যা বাড়ছে। পানি বাড়তে থাকায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন।

ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ১৩টি গ্রামের এক হাজার ১৫০ পরিবার, ডিক্রিরচর ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের এক হাজার দুইশ পরিবার ও চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ১৬টি গ্রামের তিন হাজার পরিবারসহ মোট ৪১টি গ্রামের পাঁচ হাজার ৩৫০ পরিবার পানিবন্দী হয়ে আছে।

বন্যার পানির তোড়ে ডিক্রিরচর ইউনিয়নের ইট বিছানো সড়কের এক কিলোমিটার অংশ এবং আরেকটি সড়কের ৫০ মিটার অংশ পানির তোড়ে ভেসে গেছে।

পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ইউনিয়নের ২০ একর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। বন্যার কারনে সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।