ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের অস্ত্র পাঠানোর খবর অস্বীকার করলেন আফগানিস্তান

নয়াদিল্লিস্থ আফগান দূতাবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত গোপনে আফগানিস্তানে অস্ত্র সাহায্য পাঠিয়েছে বলে পাকিস্তানের কোনো কোনো গণমাধ্যম যে খবর দিয়েছে তা অস্বীকার করেছে আফগান সরকার।

নয়াদিল্লিস্থ আফগান দূতাবাস বলেছে, পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এ সংক্রান্ত যে খবর প্রকাশ করেছে তার কোনো ভিত্তি নেই। খবর-পার্সটুডের।

ভারত সরকার ২০১১ সালে আফগানিস্তানের সঙ্গে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি’ সই করলেও ইসলামাবাদের স্পর্শকাতরতাকে মাথায় রেখে এখন পর্যন্ত কাবুলকে বড় ধরনের কোনো সামরিক সহযোগিতা দেয়নি। ২০১৬ সালে অবশ্য রাশিয়ার তৈরি চারটি হেলিকপ্টার কাবুলকে দিয়েছিল নয়াদিল্লি।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, যেসব বিমানে করে ভারত সম্প্রতি আফগানিস্তানের কান্দাহারস্থ কনস্যুলেট থেকে নিজের কর্মীদের প্রত্যাহার করে নেয় সেই বিমানে করে গোপনে কাবুলে সামরিক সহযোগিতা পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি।

পাকিস্তানি গণমাধ্যমটির দাবি করে, ভারতের দু’টি সি-১৭ কার্গো বিমানে করে সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম আফগানিস্তানে পাঠানো হয়। তবে নয়াদিল্লিস্থ আফগান দূতাবাসের কর্মকর্তারা রুশ বার্তা সংস্থা স্পুৎনিককে জানিয়েছেন, এই খবরের আদৌ কোনো ভিত্তি নেই।

এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের জিও নিউজ দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের একটি বক্তব্য প্রচার করেছিল যেখানে তিনি বলেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর এ অঞ্চলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। আর পরিবর্তিত সেই পরিস্থিতিতে ভারত হবে ‘সবচেয়ে বড় পরাজিত’ দেশ।

ইমরান খান আরো বলেন, তখন ভারত আফগানিস্তানে সবচেয়ে বড় সংকটের মুখোমুখি হবে। আফগানিস্তানের মতো যে দেশটির পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ও পরিবর্তনযোগ্য সেদেশে ভারত শত শত কোটি ডলার পুঁজি বিনিয়োগ করেছে।

ট্যাগস

ভারতের অস্ত্র পাঠানোর খবর অস্বীকার করলেন আফগানিস্তান

আপডেট সময় ১১:৩৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত গোপনে আফগানিস্তানে অস্ত্র সাহায্য পাঠিয়েছে বলে পাকিস্তানের কোনো কোনো গণমাধ্যম যে খবর দিয়েছে তা অস্বীকার করেছে আফগান সরকার।

নয়াদিল্লিস্থ আফগান দূতাবাস বলেছে, পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এ সংক্রান্ত যে খবর প্রকাশ করেছে তার কোনো ভিত্তি নেই। খবর-পার্সটুডের।

ভারত সরকার ২০১১ সালে আফগানিস্তানের সঙ্গে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি’ সই করলেও ইসলামাবাদের স্পর্শকাতরতাকে মাথায় রেখে এখন পর্যন্ত কাবুলকে বড় ধরনের কোনো সামরিক সহযোগিতা দেয়নি। ২০১৬ সালে অবশ্য রাশিয়ার তৈরি চারটি হেলিকপ্টার কাবুলকে দিয়েছিল নয়াদিল্লি।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, যেসব বিমানে করে ভারত সম্প্রতি আফগানিস্তানের কান্দাহারস্থ কনস্যুলেট থেকে নিজের কর্মীদের প্রত্যাহার করে নেয় সেই বিমানে করে গোপনে কাবুলে সামরিক সহযোগিতা পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি।

পাকিস্তানি গণমাধ্যমটির দাবি করে, ভারতের দু’টি সি-১৭ কার্গো বিমানে করে সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম আফগানিস্তানে পাঠানো হয়। তবে নয়াদিল্লিস্থ আফগান দূতাবাসের কর্মকর্তারা রুশ বার্তা সংস্থা স্পুৎনিককে জানিয়েছেন, এই খবরের আদৌ কোনো ভিত্তি নেই।

এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের জিও নিউজ দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের একটি বক্তব্য প্রচার করেছিল যেখানে তিনি বলেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর এ অঞ্চলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। আর পরিবর্তিত সেই পরিস্থিতিতে ভারত হবে ‘সবচেয়ে বড় পরাজিত’ দেশ।

ইমরান খান আরো বলেন, তখন ভারত আফগানিস্তানে সবচেয়ে বড় সংকটের মুখোমুখি হবে। আফগানিস্তানের মতো যে দেশটির পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ও পরিবর্তনযোগ্য সেদেশে ভারত শত শত কোটি ডলার পুঁজি বিনিয়োগ করেছে।